বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে তারা আর্থিক সংকটে থেকে আসছেন এবং তাদের প্রাপ্য ভাতা ও সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে নানা দাবিদাওয়া জানিয়ে আসছেন।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আসছে বড় পরিবর্তন। এবার আর থাকছে না নিবন্ধন পরীক্ষা। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) শিক্ষক নিয়োগ বিধি সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে, যা ইতোমধ্যে চূড়ান্ত
শুধু এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নয়, নন-এমপিও শিক্ষকদেরও বদলির সুযোগ দেওয়ার দাবি উঠেছে। এ নিয়ে আদালতে রিটও করেছেন একদল নন-এমপিও শিক্ষক। আদালত এ নিয়ে রুল জারি করেছেন। রুলের ‘কৌশলী’ জবাব দিতে নতুন
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি আসলে বাংলাদেশের শিক্ষক আন্দোলন ও নীতিনির্ধারণে দীর্ঘদিনের বিতর্কিত প্রসঙ্গ। সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় একাধিক সময় কিছু ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তবে বাস্তবায়নের হার ও ধারা
আন্দোলন মূলত মানুষের দাবি-দাওয়ার প্রতিফলন, ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রাম এবং সামাজিক পরিবর্তনের অন্যতম হাতিয়ার। ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই, বিশ্বের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে—যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে
শনিবার (১৬ আগস্ট) সকালে পটুয়াখালীতে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। “শিক্ষক সমাজকে আর অবহেলা নয়, তাদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে” – এই প্রত্যয়কে
পৃথিবীতে শিক্ষা ও শিক্ষকদের প্রতি অবজ্ঞার দৃষ্টান্ত সবচেয়ে প্রকটভাবে দেখা যায় বাংলাদেশে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মুখেও শিক্ষকদের নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যপূর্ণ মন্তব্য শোনা যায় নিয়মিত, অথচ এতে