এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের বেতন-ভাতা এখনো ছাড় না হওয়ায় সারা দেশে গভীর উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে আগামী জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা
জাতীয় সংসদে মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়ে উত্থাপিত প্রশ্নের পর এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদে রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা
দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করে তুলতে বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ কর্মসূচির আওতায় দেশের সরকারি ও এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, স্কুল অ্যান্ড কলেজ
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের জন্য শূন্য পদের ভুল তথ্য বা চাহিদা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। ভুল তথ্য প্রদানের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার)
বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহুল প্রত্যাশিত বদলি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তৈরি করা সফটওয়্যারটি সচল করতে প্রায় ৭ হাজার ১৬৮ গিগাবাইট বা প্রায় ৭ টেরাবাইট স্টোরেজ প্রয়োজন বলে
বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় কর্মরত প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর মে মাসের বেতন-ভাতা প্রদান নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। জুন মাসের মাঝামাঝি সময় পার হলেও তারা এখনো মে মাসের বেতন পাননি।
বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহুল প্রতীক্ষিত বদলি কার্যক্রমে নতুন জটিলতা দেখা দিয়েছে। বদলি সংক্রান্ত সফটওয়্যারে পর্যাপ্ত স্পেস না থাকায় প্রতিষ্ঠান প্রধানরা প্রয়োজনীয় তথ্য ইনপুট দিতে পারছেন না।