দীর্ঘদিন ধরে দুই মাসের বেতন না পেয়ে অপেক্ষায় থাকা নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত মাদ্রাসা শিক্ষকদের জন্য সুখবর দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি
দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বা নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সূত্রগুলো জানিয়েছে, নতুন এই
মাদরাসার কৃষিশিক্ষা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা, বেতন স্কেল ও গ্রেড পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহুল প্রতীক্ষিত বদলি কার্যক্রম নিয়ে নতুন অগ্রগতির তথ্য জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মাধ্যমে জমা দেওয়া শিক্ষকদের তথ্য এখন
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো তথা নবম জাতীয় পে-স্কেল দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যে আগামী জুলাই মাস থেকেই নতুন পে-স্কেলের সম্পূর্ণ মূল বেতন কার্যকর হওয়ার
বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা শিক্ষক পদে নিয়োগের লক্ষ্যে ৯ম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি শুরু করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জুন ২০২৬ মাসের বেতন-ভাতার সারসংক্ষেপ গত ২৩ জুনই প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে সেই সারসংক্ষেপের ভিত্তিতে বেতন-ভাতার প্রস্তাব মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে