মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সম্প্রতি ভুয়া সনদ ব্যবহার করে বিএড স্কেলের সুবিধা নেওয়ার অভিযোগে নতুন করে কঠোর নজরদারি শুরু করেছে। অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত একটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠির মাধ্যমে
বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের একাংশ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারি ও বেতন কাঠামো সংস্কারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন
সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে বয়স সংক্রান্ত বিধি সংশোধন করে জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বুধবার (৩
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) রাজশাহী অঞ্চলের স্কুল-কলেজে কর্মরত যেসব শিক্ষক-কর্মচারী কোচিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, তাদের তালিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার সব
শ্রম সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এখনকার বাজারদর এত বেশি যে বর্তমান বেতন কাঠামোতে নিম্ন গ্রেডের একজন সরকারি কর্মচারীর পরিবারের ব্যয় চালানো খুবই কঠিন। তাই সরকারকে দ্রুত
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাপক জাল সনদচক্রের চিত্র উঠে এসেছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা প্রায় এক হাজার ২০০ জন শিক্ষক ও
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জাল সনদধারীদের ব্যাপক নেটওয়ার্কের আরও নতুন তথ্য পেয়েছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে প্রায় ১২০০ জনের মতো জাল সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারী শনাক্ত হয়েছে। ডিআইএ সূত্র বলছে, এর