1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

জাল সনদধারি শিক্ষকদের কাছ থেকে এবার টাকা ফেরতের সুপারিশ

  • Update Time : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৬০ Time View
জাল সনদধারি শিক্ষকদের কাছ থেকে এবার টাকা ফেরতের সুপারিশ

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাপক জাল সনদচক্রের চিত্র উঠে এসেছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা প্রায় এক হাজার ২০০ জন শিক্ষক ও কর্মচারীর সনদ জাল বা অগ্রহণযোগ্য পাওয়া গেছে। এসব জাল সনদ ব্যবহার করে তারা বছরের পর বছর চাকরি করেছেন এবং বেতন-ভাতা নিয়েছেন। শুধু জাল সনদেই নয়—ভুয়া নিয়োগ, অর্থ আত্মসাৎ, ভ্যাট ও আয়কর জালিয়াতিসহ নানা অনিয়মের কারণে মোট ২৫৩ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত আনার সুপারিশ করেছে ডিআইএ।

ডিআইএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিহ্নিত জাল সনদধারীর সংখ্যা এক হাজার ১৭২ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে রাজশাহী বিভাগে—সংখ্যা ৭৭৯। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ১২০ জন, খুলনা বিভাগে ১৭৯ জন, ঢাকা বিভাগে ৭০ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪ জনের সনদ জাল বলে তালিকাভুক্ত হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে ৪০০ জনের সনদ সরাসরি জাল এবং ৩০০ জনের সনদ গ্রহণযোগ্য নয় বলেও প্রমাণ মিলেছে। শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে বেহাত হয়ে থাকা প্রায় ৭৯৩ একর জমি উদ্ধারেও সুপারিশ করেছে অধিদপ্তর।

তদন্তে দেখা গেছে, জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে এনটিআরসিএর শিক্ষক নিবন্ধন সনদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট, দারুল ইহসান ও রয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ এবং বিভিন্ন কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদ। এসব সনদ ব্যবহার করে অনেকে সহজেই শিক্ষকতা পেশায় ঢুকে পড়েছিলেন। ডিআইএর পরিচালক অধ্যাপক এম এম সহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, জাল সনদধারীদের তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে, এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারকে অনুরোধ করা হবে।

এদিকে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিআইএ একটি কড়া সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, পরিদর্শন ও নিরীক্ষার নামে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সংস্থাটি জানায়, প্রতিটি পরিদর্শন দলকে ভার্চুয়ালি মনিটরিং করা হয় এবং মনিটরিং কর্মকর্তার নাম-পরিচয় স্পষ্টভাবে অফিস আদেশে উল্লেখ থাকে। তাই ডিআইএর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অফিস আদেশ ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানকে পরিদর্শন বা নিরীক্ষার নামে কেউ টাকা দাবি করলে তা গ্রহণ করা যাবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো প্রতিষ্ঠান প্রধান বা ব্যক্তি পরিদর্শনের নামে টাকা দাবি করেন বা নেন, তাহলে তা লিখিতভাবে দ্রুত পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরে জানাতে হবে। পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও আশ্বস্ত করেছে সংস্থাটি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme