বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য মসজিদের ইমামতি, দোকান পরিচালনাসহ ১১টি পেশায় যুক্ত হওয়া নিষিদ্ধ করে জারি করা আলোচিত নোটিশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা
নতুন জাতীয় পে-স্কেল প্রণয়নের পুরো প্রক্রিয়াটি এখন এমন এক পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে কার্যত আমলা ও সচিবদের মতামতই চূড়ান্ত রূপ পাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শুরু থেকেই সচিবদের একটি প্রভাবশালী
বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য অতিরিক্ত পেশায় সম্পৃক্ততার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, মসজিদের পূর্ণকালীন ইমামতি, দোকান বা ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনাসহ মোট ১১টি পেশায়
নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন থেকে পাওয়া মতামতগুলো চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে জাতীয় বেতন কমিশন (পে-কমিশন)। তবে এখনো কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন লেখার কাজ সম্পন্ন হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশের সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন পে স্কেল এখন আরও গভীর সংকটে পড়ে গেছে। একদিকে অর্থনৈতিক চাপ, মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের বৃদ্ধি—অন্যদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রশাসনিক জটিলতা ও সরকারের উদাসীনতা বিষয়টি
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এসব কার্যক্রম একাডেমিক শিক্ষার পরিপূরক হিসেবে শিক্ষার্থীদের মানসিক, শারীরিক ও সামাজিক বিকাশে
মাদরাসা শিক্ষকদের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) নতুন করে ইস্যু করা এমপিও শিট অনুযায়ী মাদরাসার শিক্ষক ও কর্মচারীদের