বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কারিগরি জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় বেতন গ্রেডের অসঙ্গতি নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন কৃষি ডিপ্লোমা সনদধারী সহকারী শিক্ষকরা। একই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েও কারিগরি শাখায়
শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য পৃথক বেতনস্কেল চালু করার দাবি জানয়েছে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট। বর্তমানে শিক্ষকরা যে বেতন-ভাতা পায় তা নগন্য উল্লেখ করে এ দাবি জানানো হয়েছে। রোবাবার (২২ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষকদের
বাংলাদেশে বিভিন্ন পেশাজীবীর জীবনমান ও আর্থিক অবস্থার উন্নয়নের কথা প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু বাস্তবতার নিরিখে দেখা যায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সেই উন্নয়নের ছোঁয়া তেমনভাবে পৌঁছায়নি। বরং বেতন-ভাতা প্রদানে দীর্ঘদিনের অনিয়ম
রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা শুধু একটি প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব নয়, বরং এটি জনগণের প্রতি সাংবিধানিক অঙ্গীকার। সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত একটি অভিযোগ—নতুন নীতিমালায় এন্ট্রি পদ ১০ গ্রেডে না
বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান, সহকারী প্রধান, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার নিয়োগে প্রায় ৭৮ হাজার আবেদন পড়েছে। এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে জানা গেছে। রবিবার (২২
এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণসহ একগুচ্চ দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও বিএনপির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক নবনির্বাচিত এমপি অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া। আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল
বেসরকারি শিক্ষকদের ঈদুল ফিতরের আগে শতভাগ বোনাস দেওয়াসহ মোট ১৩টি দাবি শিক্ষামন্ত্রী বরাবর উপস্থাপন করেছেন শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও শিক্ষাকর্মী নেতা অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত