বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে বৈশাখী ভাতার বিল সাবমিট করা নিয়ে এক ধরনের অনাগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের এই উদাসীনতার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল জমা না পড়লে তাদের হাতে ভাতার
চলমান জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় দেশের সব মহানগরীর স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ পরিকল্পনার আওতায় শুরুতে প্রতিদিন পর্যায়ক্রমে (অলটারনেটিভ) অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস পরিচালনার চিন্তা করা হলেও আপাতত সপ্তাহে
চলমান বৈশ্বিক অস্থিরতা—বিশেষ করে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে বাড়তে থাকা ভূরাজনৈতিক সংঘাত—বিশ্ব অর্থনীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। এই চাপ থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়; বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতার প্রস্তাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এখনও বিপুল সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারীর বিল জমা না পড়ায় প্রস্তাব
বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতার বিল দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধি করে নতুন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত এই বৈশাখী ভাতার
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতার বিল সাবমিট প্রক্রিয়ায় নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এ নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্টদের বিল সাবমিট করার সময় নির্দিষ্টভাবে বছর ও মাস নির্বাচন (সিলেক্ট) করতে হবে। কর্তৃপক্ষ বলছে,
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের বদলি কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ সভাটি শেষ হয়েছে। বুধবার বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া এই সভা প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে এবং বিকেল