বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতার বিল দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধি করে নতুন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত এই বৈশাখী ভাতার বিল সাবমিট করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি. এম. আব্দুল হান্নান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে তার প্রতিষ্ঠানের এমপিও সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে EMIS সিস্টেমের MPO-EFT মডিউলে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর তিনি তার প্রতিষ্ঠানের আওতাভুক্ত প্রত্যেক শিক্ষক ও কর্মচারীর জন্য পৃথকভাবে বিধি অনুযায়ী প্রাপ্য এমপিও অর্থ নির্ধারণ করবেন এবং সেই অনুযায়ী বিল সাবমিট করবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে দাখিলকৃত এই তথ্যের ভিত্তিতেই শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাব নম্বরে EFT (Electronic Fund Transfer) এর মাধ্যমে অর্থ প্রেরণ করা হবে।
এছাড়াও নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী যদি মৃত্যুবরণ করেন বা পদত্যাগ করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট মাসের জন্য তার প্রাপ্য অর্থ যথাযথভাবে নির্ধারণ করে বিল সাবমিট করতে হবে। একইভাবে, কোনো শিক্ষক-কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত থাকলে, অনুমোদনহীনভাবে অনুপস্থিত থাকলে অথবা অন্য কোনো কারণে আংশিক বা সম্পূর্ণ বেতন কর্তন বা বন্ধ করার প্রয়োজন হলে, সেই বিষয়টিও বিল সাবমিট অপশনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিলকৃত তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে। ফলে ভুল তথ্য প্রদানের কারণে যদি কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও অর্থ EFT-এর মাধ্যমে প্রেরণ না হয় বা অতিরিক্ত অর্থ প্রেরিত হয়, তবে তার সম্পূর্ণ দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপর বর্তাবে।
মাউশি আরও জানায়, গত ২৭ মার্চ থেকে বৈশাখী ভাতার বিল সাবমিট করার অপশন চালু করা হয়েছে। তবে এখনো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের বিল সাবমিট করেনি। এই প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে অবশ্যই বৈশাখী ভাতার বিল সাবমিট সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, শুধুমাত্র আইবাস (iBAS) সিস্টেমের মাধ্যমে যাচাইকৃত (Valid) জনবলের তথ্যই বর্তমানে বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত করা হয়েছে। যেসব শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য এখনো ভুল বা অসম্পূর্ণ রয়েছে, তাদের তথ্য সংশোধন ও যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর পরবর্তীতে বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত করা হবে।
Leave a Reply