বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত প্রায় ৫০০ জন জাল সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীর একটি বিস্তারিত তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের লক্ষ্যে বর্তমানে শিক্ষক শূন্যপদের চাহিদা সংগ্রহ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৫৭ হাজার ৪০টি শূন্যপদের তথ্য পাওয়া
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহকারী প্রধান এবং কর্মচারীরা আপাতত বদলির সুযোগ পাচ্ছেন না। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সফটওয়্যার সংক্রান্ত জটিলতার কারণে এই মুহূর্তে কেবল এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরই বদলির আওতায় আনা
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতার কারণে পাঠদান কার্যক্রমে যে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে, তা সামাল দিতে সরকার একটি অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এ প্রেক্ষিতে শ্রেণিকক্ষের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত
বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বহু প্রতীক্ষিত বদলি কার্যক্রম অবশেষে চালু হতে যাচ্ছে—এমন ইঙ্গিত মিলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে দেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহুদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। নবম পে-স্কেলের আওতায় থাকা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের জন্য
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বৈশাখী ভাতা সংক্রান্ত প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে এবং এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়াও শেষ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ইন্টিগ্রেটেড বাজেট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং সিস্টেম