মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমিক শাখায় টাকার বিনিময়ে শিক্ষক এমপিওভুক্তির দুর্নীতিপূর্ণ প্রক্রিয়া এখনো অব্যাহত রয়েছে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, বিশেষ করে ‘দারুল’ নামক অবৈধ বিএড কলেজসহ আরও বেশ কিছু অনুমোদনহীন
সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকল গ্রন্থাগার প্রভাষক এবং সহকারী শিক্ষক (গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান) সম্পর্কিত তথ্য চেয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য আগামী
এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত প্রায় পৌনে চার লাখ শিক্ষক ও কর্মচারীর জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বাজেট শাখায় পাঠানো
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় পৌনে চার লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর জুলাই মাসের বেতনের সারসংক্ষেপ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) পাঠানো হয়েছে। এই সারসংক্ষেপ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য আগামী সপ্তাহে
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বাড়ছে। চলতি জুলাই মাস থেকেই তারা বর্ধিত বেতন পাবেন। তবে বেতন কতটুকু বাড়ছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলছেন না শিক্ষা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) প্রশাসন শাখায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। আমরা সব কাজ প্রায় শেষ করে ফেলেছি। এখন শুধু টাকার হিসেব
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে যাচ্ছেতাই মন্তব্য করলে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর আজাদ খান। বুধবার দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এই হুঁশিয়ারি