শুধু এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নয়, নন-এমপিও শিক্ষকদেরও বদলির সুযোগ দেওয়ার দাবি উঠেছে। এ নিয়ে আদালতে রিটও করেছেন একদল নন-এমপিও শিক্ষক। আদালত এ নিয়ে রুল জারি করেছেন। রুলের ‘কৌশলী’ জবাব দিতে নতুন
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি আসলে বাংলাদেশের শিক্ষক আন্দোলন ও নীতিনির্ধারণে দীর্ঘদিনের বিতর্কিত প্রসঙ্গ। সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় একাধিক সময় কিছু ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তবে বাস্তবায়নের হার ও ধারা
আন্দোলন মূলত মানুষের দাবি-দাওয়ার প্রতিফলন, ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রাম এবং সামাজিক পরিবর্তনের অন্যতম হাতিয়ার। ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই, বিশ্বের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে—যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে
শনিবার (১৬ আগস্ট) সকালে পটুয়াখালীতে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। “শিক্ষক সমাজকে আর অবহেলা নয়, তাদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে” – এই প্রত্যয়কে
পৃথিবীতে শিক্ষা ও শিক্ষকদের প্রতি অবজ্ঞার দৃষ্টান্ত সবচেয়ে প্রকটভাবে দেখা যায় বাংলাদেশে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মুখেও শিক্ষকদের নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যপূর্ণ মন্তব্য শোনা যায় নিয়মিত, অথচ এতে
আমরা এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা গত ১৩ তারিখে নিজেদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে জাতীয় প্রেসক্লাবে স্বপ্রণোদিত হয়ে সুশৃঙ্খলভাবে একটি অহিংস আন্দোলনে অংশ নেয়। সেখানে আমরা এমন কোন কার্যক্রম গ্রহণ করি নাই যার
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ভাগ্যের নির্মম দুর্দশা এত সহজে দুর হবে বলে মনে হয় না। না হওয়ার পিছনে যে কারণগুলো বিদ্যমান সে কারণগুলো আমি পর্যায়ক্রমে আপনাদের সাথে আলোচনা করব। একটি লেখায়