1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আন্দোলনকে ঘিরে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার

  • Update Time : শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫২৮ Time View
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আন্দোলনকে ঘিরে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার

আমরা এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা গত ১৩ তারিখে নিজেদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে জাতীয় প্রেসক্লাবে স্বপ্রণোদিত হয়ে সুশৃঙ্খলভাবে একটি অহিংস আন্দোলনে অংশ নেয়। সেখানে আমরা এমন কোন কার্যক্রম গ্রহণ করি নাই যার কারণে রাষ্ট্রের বা রাষ্ট্রের কোন সম্পদের কোন ক্ষতিসাধন হয়। অথচ আমাদের এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন নিয়ে দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক যিনি কিনা দেশের একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের সাথে বিভিন্ন ভাবে জড়িত তিনি অহেতুক মিথা বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে খবর প্রচার করায় এদেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজ মর্মাহত। এই পত্রিকা শুধু মনগড়া সংবাদই প্রচার করেনি রিাপোর্টে তিনি অত্যন্ত মানহানিকর মন্তব্য করেছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের নিয়ে। আমি নীচে সেই রিপোর্টটি হুবুহু তুলে ধরলাম।

বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে সম্প্রতি আন্দোলনে নামে শিক্ষকরা। দেশের অর্থনীতির অবস্থা যখন টালমাটাল, ফ্যাসিস্ট হাসিনা যখন দেশটাকে ডুবিয়ে গেছে রসাতলে ঠিক তখনি বারবার কথিত আন্দোলনের নামে দেশের অর্থনীতির আরও বারোটা বাজাচ্ছে এসব আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারী এসব শিক্ষকদের অধিকাংশই প্রতিষ্ঠানগুলোর ম্যানেজিং কমিটিকে পয়সা খাইয়ে ম্যানেজ করে চাকুরি পওয়া বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের বেশির ভাগই নিজেদের যোগ্যতায় শিক্ষকতার মতো মহান এই পেশায় আসেননি বলেই বিস্তর অভিযোগ পাওয়া যায় তাদের বিরুদ্ধে।
বুধবার (১৩ আগষ্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তা দখল করে চলে এই আন্দোলন। এক পর্যায়ে দুপুরে ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোট’-এর ১২ সদস্যের প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা ও সচিবের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এসে কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী।
দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে তাদের এই আন্দোলনকে মোটেও ভালোভাবে নেয়নি আমপাবলিক। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকদের আড়ালে যারা আন্দোলনে নেমেছে তাদের অধিকাংশই নিজেদের যোগ্যতায় সেই অবস্থানে আসেননি। বরং কখনো ফ্যাসিস্ট হাসিনার দলের এমপি এর কোটা বা বিশেষ সুপারিশ আবার কখনো বা টাকা পয়সা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটিকে ম্যানেজ করে ভিন্ন পন্থায় শিক্ষকতার এই চাকুরি বাগিয়ে নিয়েছেন তারা।
এভাবে নিজেরা শিক্ষকতার এই মহান পেশায় নাম লিখিয়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠান অযৌক্তিকভাবে জাতীয়করণের দাবী সামনে এনে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা নিতে চাওয়া শুধু অযৌক্তিকই নয় বরং অহেতুক অবিবেচক একটি ধারণা।
তাদের এই আন্দোলনে জাতির কোন কল্যাণ হবে না বরং ঝামেলা আরও বেড়ে যাবে বহুগুণে। অন্যদিকে নেটিজেনদের মধ্যে একটি গুঞ্জন রয়েছে যে, তারা ধারণা করছেন এসব আন্দোলনকারী শিক্ষকরা ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর। তারা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আন্দোলনে নেমেছে কারণ একটা সময় নির্বচানের আগে তাদের প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হলে তারা নির্বাচনী প্রিজাইডিং অফিসার হওয়ার সুযোগ পেয়ে যাবেন খুব সহজেই। যদি এমন কিছু হয় তাহলে নেট নাগরিকদের দাবি অন্তর্বর্তী সরকারকে বিষয়টি বিশেষভাবে ভেবে দেখার।

ইনি সেই দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন যার বিরুদ্ধে গত ফ্যাসিষ্ট সরকারের সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান তার পরিবার নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করার অভিযোগে তাকে সহ আরও দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান। ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদের আদালতে তিনি এ মামলা করেন। 

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশের জন্য মামলাটি রাখেন। মামলার অপর আসামি হলেন- কাদেরিয়া পাবলিকেশন্স অ্যান্ড প্রোডাক্টস লিমিটেডের পরিচালক আব্দুল কাদের।

দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার বর্তমান সম্পাদক ও প্রকাশক হলেন এ এম এম বাহাউদ্দীন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পত্রিকাটি ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর ঢাকার আর কে মিশন রোডে অবস্থিত।

উল্লেখ্য, এ এম এম বাহাউদ্দীনের বিরুদ্ধে অতীতে কিছু আইনি অভিযোগ উঠেছিল, যার মধ্যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। তবে তিনি এখনও পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়া তিনি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন জমিয়াতুল মোদাররেসিনের সভাপতি। শিক্ষক বা আলেম না হয়েও এই জালেম দীর্ঘদিন স্বঘোষিত সভাপতি সংগঠনটির। বিগত স্বৈরাচারের অন্যতম দোসর, শিক্ষা ও শিক্ষকদের মাথা বিক্রি করে খাওয়া এ দালাল এখনো বহাল তবিয়তে। যা খুবই দুঃখজনক। পুরো মাদ্রাসাভিত্তিক শিক্ষক – কর্মচারীরা তার হাতে জিম্মি। সম্প্রতি দেশের সবচেয়ে আলোচিত নির্ভীক, সৎ, সাহসী শিক্ষকমহলে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যাক্তিত্ব স্বনামধন্য অধ্যক্ষ মাওলানা দেলোয়ার হোসেন আজিজীর নেতৃত্বে গতকালের সর্ববৃহৎ শিক্ষক সমাবেশ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ফলে উক্ত বাহাউদ্দিনসহ ডেট ওভার স্বঘোষিত শিক্ষক নেতা নামক স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর পাকা ধানে মই পড়েছে। এরা শিক্ষা ও শিক্ষার্থীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির এ আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে সরকারকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এদের বিষদাঁত ভেঙ্গে গেছে গতকালের লাখো শিক্ষকের ঐক্যের মাধ্যমে। এখন শেষ বারের মতো মরণ কামড় দেয়ার জন্য ফণা তুলছে। পশ্চাৎদেশে কয়েকটা বেত্রাঘাত করলেই চিরতরে এসব পাপিষ্ঠ নিম্মশ্রেণীর বিষাক্ত সাপের অভিশপ্ত জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটবে। আসুন সবাই মিলে আরেকটু এগিয়ে যাই।

একটি সুন্দর ও গোছালো অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে তিনি যেভাবে কুলষিত করার চেষ্টা করছেন কেন? আমি বা আমরা তার এই ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ডকে ধিক্কার জানাই। তিনি কোন মতাদর্শে বিশ্বাসী, কোন রাজনৈতিক দলের আশীবার্দপুষ্ট তা কিন্তু আমরা যে একাবারে কিছুই জানিনা তা কিন্তু নয়। তিনি যে, একটি বড় রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত সেই দলের অনেক নেতাকর্মীর সাথেও জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের পক্ষ থেকে গত ১৩ আগষ্ট আন্দোলনের পূর্বে যোগাযোগ করা হয়েছিল।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী সমাজ আশা করবে তার এই জঘন্য ষড়যন্ত্র থেকে তিনি নিজেকে আড়াল করবেন। তার শুভবুদ্ধির উদয় হোক আমারা সেই আশা করি। আমরা যে তার মোকাবেলা করতে পারবনা এমন নয়। আমরা তার মোকাবেলা তার মত মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে নয়। আমরা তা মোকাবেল সত্যের মাধ্যমে করতে পারব ইনশাল্লাহ। অতীতেও এমন প্রচারণা অনেক হয়েছে জয় কিন্তু সত্যেরই হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme