1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কিভাবে চায় আর সরকার যেভাবে দিতে চায় মাঝখানে ব্যবধান কিন্তু অনেক

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ৯১৪ Time View
এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কিভাবে চায় আর সরকার যেভাবে দিতে চায় মাঝখানে ব্যবধান কিন্তু অনেক

এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ভাগ্যের নির্মম দুর্দশা এত সহজে দুর হবে বলে মনে হয় না। না হওয়ার পিছনে যে কারণগুলো বিদ্যমান সে কারণগুলো আমি পর্যায়ক্রমে আপনাদের সাথে আলোচনা করব। একটি লেখায় এত বৃহৎ একটি বিষয় তুলে ধরা সম্ভব নয়। গত ১৩ তারিখের জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের ১ দিনের যে কর্মসুচী ছিল তার সক্রিয় একজন অংশগ্রহণকারী হিসাবে আমার চাক্ষুস অভিজ্ঞতাগুলো তুলে ধরব আপনাদের মাঝে। এখন যে বিষয়টি নিয়ে আলোকপাত করব তা হলো বর্তমানে যে চাওয়াগুলো সেটার বিষয়ে সরকারের অবস্থান ও আমাদের আদায় করার সক্ষমতা নিয়ে।

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া ১ হাজার টাকা এবং চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে শিক্ষকদের মোট ভাতা বাড়বে ১ হাজার ৫০০ টাকা। তবে আন্দোলনরত শিক্ষকরা বলছেন, বাড়ি ভাতা নির্দিষ্ট অঙ্কে নয়, বরং শতাংশ হারে বাড়াতে হবে। কারণ শতাংশে বাড়ানো হলে প্রতিটি পদমর্যাদার শিক্ষকই সমানভাবে উপকৃত হবেন। কিন্তু দুংখের বিষয় হলো সত্য যে, শিক্ষার সাথে যে সমস্ত আমলারা জড়িত তারা কেউ চায় না যে এই ভাতাগুলো শতকরা আকারে দেওয়ার প্রচলন শুরু হউক। এদেশের আমলারা বা শিক্ষা মন্ত্রী বা উপদেষ্টা যাই বলেন তারা কিন্তু একটি কথা সবসময় আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দেন যে, আমরা বেতন পাই না। আমরা নাকি দয়া ও অনুগ্রহের অনুদান পাই। সারাদিন হাড়ভাঁঙ্গা পরিশ্রম করে আমাদের দয়া গ্রহণ করতে হয়। আর এই কথা শোনার পরও আমাদের শিক্ষক নেতারা তার কোন প্রকার প্রতিবাদ পর্যন্ত করে না।

এ বিষয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজীজী বলেন, “আমরা ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছি। এই দাবি দ্রুত কার্যকর করার জন্য আমরা সর্বশক্তি নিয়োগ করবো। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই মন্ত্রণালয়ে ২০ শতাংশ হিসাব জমা দেওয়ার চেষ্টা করব। প্রশ্ন হলো খেয়াল করুন আমরা যখন চাই তখন কি চাই আর যখন বলি তখন কি বলি। তাহলে কি ধরে নিব এই বলা গুলো আমরা শুধু বলার জন্য বলি। কিন্তু এভাবে আর কতদিন এভাবে বলবেন।

মন্ত্রণালয়ে থেকে হিসাব চেয়েছে আর আমাদের নেতারা হাসতে হাসতে তা দিতে চেয়েছে। একবার ভাবুন তো হিসাব করা কি আমাদের কাজ। কেন আমাদেরকে তাদের কাছে হিসাব পেশ করতে হবে। আমাদের নেতাদের মাথায় কি এই কথাটা একবারের জন্য মনে হলো না যে, এটি শুধু আন্দোলন বানচাল ও সময়ক্ষেপনের শুধুমাত্র একটি অজুহাত।

বর্তমানে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা ১ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া এবং ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান, যা সংশ্লিষ্টদের মতে অত্যন্ত সামান্য। এজন্য আন্দোলনরত শিক্ষকরা বাড়ি ভাতা ২০ শতাংশে উন্নীত করার দাবি তুলেছেন। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে জুনিয়র শিক্ষকদের ভাতা বাড়বে ১ হাজার ৯০০ টাকা এবং সহকারী শিক্ষকদের ভাতা বাড়বে ২ হাজার ৫৫০ টাকা। বর্তমান ভাতার সঙ্গে যুক্ত হলে প্রবেশ পর্যায়ের একজন জুনিয়র শিক্ষকের বাড়ি ভাড়া হবে প্রায় ৩ হাজার টাকা এবং সহকারী শিক্ষকের প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টাকা। এছাড়া অন্যান্য শিক্ষকদের ভাতাও তাদের বেতন গ্রেড অনুযায়ী বৃদ্ধি পাবে।

শিক্ষক নেতারা বলছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট অঙ্কের পরিবর্তে শতাংশ হারে বাড়ি ভাতা বৃদ্ধি করা হলে সব স্তরের শিক্ষকই সমানভাবে উপকৃত হবেন। এ দাবির পক্ষে হিসাব তৈরি করে শিগগিরই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হবে। অন্যদিকে বাড়ি ভাতা নির্দিষ্ট অঙ্কে বাড়ানো হলে তা একবারই বৃদ্ধি পাবে এবং ভবিষ্যতে আর বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকবে না। কিন্তু শতাংশ হারে বাড়ানো হলে বেতন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি ভাতাও বাড়বে।

এ বিষয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের অধিকাংশ সদস্য বলেন, “স্বাধীনতার পর থেকেই শিক্ষকরা বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন। আমরা আর এই বৈষম্য মেনে নেব না। বাড়ি ভাড়া অবশ্যই শতাংশ হারে বৃদ্ধি করতে হবে, এর কোনো ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না। দাবি না মানা হলে শিক্ষকরা আবারও আন্দোলনে নামবেন বলে হুশিয়ারি দেন।

পরিশেষে বলব এভাবে আমাদের আর কত তামাশায় পরিণত করবে এদেশের সরকার ও আমাদের শিক্ষক নেতারা। আজ শুধু একটা কথা বলে আমার এই লেখা শেষ করব তা হলো প্রিয় স্যার মহোদয়গণ একটি আন্দোলনকে সফল ভাবে শেষ করতে হলে সঠিক পরিকল্পনা দরকার কিন্তু দুংখের বিষয় হলেও সত্য আপনাদের মাঝে সেই পরিকল্পনার অভাব দেখতে পেলাম। কথাটা অনেক কঠিক বলে ফেললাম কিছু মনে করবেন না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme