শিরোনাম দেখে কেউ স্বস্তি, কারও হাসি, কেউবা বিব্রতবোধ এককথায় একই পেশায় কর্মরত থাকার পরও একেকজনের একেকরকম অনুভুতি হচ্ছে। পৃথীবিতে মনে হয়ে একমাত্র এ-ই পেশাতেই পাওনা কোন কিছু পেতে নানা ধরনের বাহানার সম্মুখীন হতে হয়।
আরও পড়ুন…..মার্চের বেতনের বিষয়ে যা জানাল মাউশি?
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কোনকিছু প্রদান করতে গেলে রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পরিশ্রমের শেষ থাকে না। তারা দিনকে দিন মনে করে না রাতকে দিন মনে করে শুধু অক্লান্ত পরিশ্রম করে যায় অবিরত। তবে তারা এতে বেশি কাজ করে যে তাদের কাজের ফল কিন্তু সঠিক সময়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা বেশিরভাগ সময় পায় না।
যাইহোক যে বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য আজকে লিখছি সেখানে আসি এখন।
এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ঈদুল ফিতর উপলক্ষে উৎসব ভাতার প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। শিগগিরই শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রোববার (২৩ মার্চ) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এখন মনে কিছুটা আশা করা যেতেই পারে যে ঈদের পূর্বেই উৎসব ভাতা পাওয়ার।
সূত্র জানায়, মোট ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৫২৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীর উৎসব ভাতার প্রস্তাব মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে স্কুলের ২ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ জন ও কলেজের ৮৪ হাজার ২৫ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।
এর আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ডিসেম্বরের পঞ্চম ধাপ, জানুয়ারির দ্বিতীয় ধাপ, ফেব্রুয়ারির বেতন ও উৎসব ভাতা যতো দ্রুত সম্ভব দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছিলো মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। গত সপ্তাহে শিক্ষকদের এমপিও ছাড়ের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হয়। এই কাজের জন্য শুক্র-শনিবারেও অধিদপ্তরের কাজ চলমান ছিলো। মার্চ মাসের বেতন ঈদের আগে দেয়ার জন্য কাজ করেছেন কর্মকর্তারা।
Leave a Reply