সরকারী চাকুরীজীবিদের চলতি মাসের ২৩ তারিখের মধ্যে মার্চ মাসের বেতন প্রদানের ঘোষণা প্রদান করা হয়। তারপর থেকেই গুঞ্জন শুরু হয় তাহলে কি এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণও তাদের মার্চের বেতন ইদুল ফিতরের পূর্বেই পাবে। সেই ঘোষণা মতে কিন্তু মাদ্রাস অধিদপ্তরের অন্তর্ভুক্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ মার্চ মাসের বেতন ঈদের পুর্বেই পাবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক কর্মচারীর বিষয়ে প্রথম থেকেই মাউশি নেতিবাচক উত্তর প্রদান করে আসছিল। তবে নতুন করে আবার আশার সঞ্চার হয়েছে মাউশির এবারের বক্তব্যে। যদিও এখনও বিষয়টি পুরোপুরি পরিস্কার করে মাউশি কিছু বলে নি তবে এটুকু শুধু বলেছে যে, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি মার্চের বেতন দেওয়ার জন্য।
আরও পড়ুন…..এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের উৎসব ভাতা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদন।
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারী-২০২৫ মাসের ১ম ধাপের বেতন অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিগগিরই তাদের বেতন ব্যাংকে পাঠানো হবে। পাশাপাশি আজকেই ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৫২৫ জন শিক্ষক কর্মচারীর উৎসব অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছিল। খুশির খবর এই যে, আজই তা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেয়ে গেছে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ডিসেম্বরের পঞ্চম ধাপ, জানুয়ারির দ্বিতীয় ধাপ, ফেব্রুয়ারির বেতন ও উৎসব ভাতা যতো দ্রুত সম্ভব দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছিলো মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। গত সপ্তাহে শিক্ষকদের এমপিও ছাড়ের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হয়। এই কাজের জন্য শুক্র-শনিবারেও অধিদপ্তরের কাজ চলমান ছিলো। মার্চ মাসের বেতন ঈদের আগে দেয়ার জন্য কাজ করেছেন কর্মকর্তারা।
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন এ যাবৎ এনালগ পদ্ধতিতে প্রদান করা হয়। যা শিক্ষক কর্মচারীদের হাতে পৌছাতে পৌছাতে অনেক সময় ১৫ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত সময় পার হয়ে যায়। সেই সমস্যা দুরীকরণের জন্য বর্তমান সরকার বিগত ৫ অক্টোবর ঘোষণা দেয় যে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ইএফটির মাধ্যমে প্রেরণ করা হবে। সেই ধারাবাহিকতায় সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ইএফটির আওতাভুক্ত করার জন্য মাউশি অনবরত লক্ষ্যবিহীন ভাবে কাজ করে চলেছে। আর প্রতিদিন নতুন নতুন জটিলতা সৃষ্টি করেই চলেছে।
[…] আরও পড়ুন…..মার্চের বেতনের বিষয়ে যা জানাল মাউশি? […]