1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

এমপিও শিক্ষকদের বদলি তথ্য দেওয়ার বিষয়ে সর্বশেষ যা জানাল মাউশি

  • Update Time : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ৭৬৫ Time View
বদলি তথ্য সংগ্রহ

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির তথ্য সংগ্রহের নির্ধারিত সময়সীমা আজ বুধবার (১০ জুন) শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন কারণে যারা এখনো তথ্য ইনপুট দিতে পারেননি, তাদের জন্য সফটওয়্যারটি আপাতত উন্মুক্ত রাখা হবে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য দিতে ব্যর্থ হওয়া শিক্ষকরা অতিরিক্ত এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিতে পারবেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১০ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। তারা জানিয়েছেন, বদলি কার্যক্রমকে সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এবং কোনো যোগ্য শিক্ষক যেন তথ্য জমা দিতে না পারার কারণে প্রক্রিয়া থেকে বাদ না পড়েন, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই সফটওয়্যারটি কিছু সময়ের জন্য সচল রাখা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাউশির এক কর্মকর্তা জানান, অনেক শিক্ষক প্রযুক্তিগত জটিলতা, সার্ভার সমস্যাসহ বিভিন্ন কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য ইনপুট দিতে পারেননি। এসব শিক্ষককে সুযোগ করে দিতেই সফটওয়্যারটি উন্মুক্ত রাখা হবে। তবে তিনি শিক্ষকদের বিলম্ব না করে যত দ্রুত সম্ভব তথ্য প্রদান সম্পন্ন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “যারা এখনো তথ্য দিতে পারেননি, তারা দ্রুত সফটওয়্যারে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য ইনপুট দিন। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে যত দ্রুত সম্ভব কাজটি সম্পন্ন করা উচিত।”

এর আগে বদলির জন্য তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলাকালে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বহু শিক্ষক তথ্য জমা দিতে না পারার বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যম কার্যালয়ে ফোন করে জানিয়েছিলেন। তারা সার্ভারে প্রবেশ করতে না পারা, লগইন জটিলতা এবং তথ্য সংরক্ষণে সমস্যার মতো নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তারা শিক্ষকদের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ না হওয়া পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

জানা গেছে, গত ২৪ মে থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রমের জন্য মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ নির্দেশনা অনুযায়ী, স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যারে ইনপুট করার দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের ওপর। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, স্কুল ও কলেজের প্রধানরা ১০ জুনের মধ্যে তথ্য ইনপুট কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।

পরবর্তী ধাপে স্কুলের তথ্য যাচাই ও অনুমোদনের কাজ করবেন উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, যার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ জুন পর্যন্ত। এরপর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা ৩০ জুনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। অন্যদিকে কলেজ পর্যায়ের তথ্য যাচাই ও অনুমোদনের দায়িত্ব পালন করবেন আঞ্চলিক উপপরিচালক (কলেজ), যাদের জন্য সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে ১৮ জুন পর্যন্ত। সর্বশেষ আঞ্চলিক পরিচালকরা ৩০ জুনের মধ্যে তথ্য ইনপুট ও যাচাই-সংক্রান্ত কার্যক্রম শেষ করবেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের দাবির পর গত ৬ মে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহুল প্রতীক্ষিত সংশোধিত বদলি নীতিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। নতুন নীতিমালায় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং অন্যান্য এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সুযোগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নীতিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একজন শিক্ষক তার সমগ্র কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। বদলির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের এমপিও ইনডেক্স নম্বর আগের প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন প্রতিষ্ঠানে অনলাইনের মাধ্যমে স্থানান্তর করা হবে। এতে বদলির পর নতুন প্রতিষ্ঠানে এমপিও সংক্রান্ত জটিলতা কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া সরকার প্রয়োজনবোধে এবং জনস্বার্থে যে কোনো এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষককে বদলি করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করবে বলেও সংশোধিত নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, নতুন এই বদলি ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সমাজের অন্যতম প্রধান দাবি পূরণ হবে এবং শিক্ষকদের কর্মপরিবেশ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme