1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

এমপিও শিক্ষকদের বদলি সফটওয়্যারের ক্যাপাসিটি বাড়ানোর বিষয়ে যা জানাল মাউশি

  • Update Time : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ৪৮১ Time View
বদলি তথ্য সংগ্রহ

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহুল প্রতীক্ষিত বদলি কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহকে ঘিরে নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার শেষ দিনে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানপ্রধান অনলাইনে প্রবেশের চেষ্টা করায় সার্ভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং সফটওয়্যারটি সাময়িকভাবে অচল হয়ে যায়। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানপ্রধান তাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় তথ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইনপুট দিতে পারেননি। এ অবস্থায় বদলির অপেক্ষায় থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানিয়েছে, সার্ভারের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, সার্ভারের ক্যাপাসিটি বাড়ানো গেলে সফটওয়্যারের কার্যক্রম আবারও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।b

সার্ভার ডাউন হওয়ার কারণ এবং তথ্য দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি করা হবে কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, “সার্ভার ডাউনের বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। সার্ভারের ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করলে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।”

তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলতে পারবো না।”

মাউশি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরের পর থেকে লক্ষাধিক শিক্ষক-কর্মচারী এবং প্রতিষ্ঠানপ্রধান একযোগে বদলি সংক্রান্ত সফটওয়্যারে প্রবেশের চেষ্টা করেন। একই সময়ে বিপুলসংখ্যক ব্যবহারকারীর চাপ পড়ায় সার্ভার স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারেনি। এর ফলে অনেকেই লগইন করতে ব্যর্থ হন, আবার কেউ কেউ তথ্য ইনপুটের মাঝপথে সমস্যার মুখোমুখি হন। মাউশি জানিয়েছে, অতিরিক্ত সংখ্যক হিটের কারণেই সাময়িকভাবে সফটওয়্যারটি ডাউন হয়ে যায়।

শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এর আগেই প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। গত ১০ মে সংশোধিত বদলি নীতিমালার আলোকে সফটওয়্যার আপডেট করার জন্য টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডকে চিঠি দেয় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। পরবর্তীতে গত ১৮ মে সফটওয়্যারটি সংশোধিত নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হালনাগাদ করা হয়েছে বলে মাউশিকে অবহিত করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৬ মে বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সংশোধিত বদলি নীতিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালায় বদলি কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো শিক্ষক বদলির মাধ্যমে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করার পর সেখানে ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত থাকার পর পুনরায় বদলির আবেদন করতে পারবেন। একই সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্যপদের তথ্য নির্ধারিত সময়ে অনলাইনে প্রকাশ করবে। এসব প্রকাশিত শূন্যপদের বিপরীতে শিক্ষকদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হবে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান অথবা একই বিষয়ের শিক্ষক পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে প্রতি বছর সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি এবং নতুন কর্মস্থলে যোগদানের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

বদলির ক্ষেত্রে আবেদনকারী শিক্ষক প্রথমে তার চাকরির আবেদনে উল্লেখিত নিজ জেলার কোনো শূন্যপদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে নিজ জেলায় উপযুক্ত শূন্যপদ না থাকলে তিনি নিজের বিভাগের অন্য যেকোনো জেলার শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

এছাড়া পারিবারিক ও মানবিক বিষয় বিবেচনায় স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা কিংবা স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল জেলায়ও বদলির আবেদন করা যাবে। এক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রী সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান অথবা এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত হলে সেই জেলার শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করা যাবে।

নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথম যোগদানের পর চাকরির মেয়াদ ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ না হলে কোনো শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

এর আগে সংশোধিত বদলি নীতিমালাটি অনুমোদন দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নীতিমালাটি জারির পাশাপাশি এটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আপলোডের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। খুব শিগগিরই নীতিমালাটি সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক, প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে সার্ভার জটিলতার কারণে তথ্য দিতে না পারা শিক্ষক-কর্মচারীরা সময়সীমা বৃদ্ধি এবং সফটওয়্যার পুনরায় সচল করার দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, বদলি কার্যক্রমের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো শিক্ষক যাতে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme