1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

এমপিও শিক্ষকদের বদলির তথ্য দেওয়ার সময় বাড়ানো নিয়ে যা জানাল মাউশি

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
  • ৩১৯২ Time View
মাউশি

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহুল প্রতীক্ষিত বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। এ লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়েছে। তথ্য জমা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা আগামীকাল বুধবার (১০ জুন) শেষ হচ্ছে। তবে এখনো দেশের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় তথ্য আপলোড করতে পারেনি। ফলে তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমা আরও বাড়ানো হবে কি না, তা নিয়ে শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মধ্যে নানা ধরনের আলোচনা ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা বর্তমানে নেই। কর্মকর্তাদের মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য সংগ্রহ সম্পন্ন করতে না পারলে পরবর্তী বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিলম্ব হবে। এজন্য তথ্য সংগ্রহের সময়সীমা অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাউশির একজন কর্মকর্তা জানান, প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য নির্ধারিত তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হবে না। তিনি বলেন, “১০ জুনের মধ্যেই সকল প্রতিষ্ঠানকে তথ্য সাবমিট করতে হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড পায়নি, তাদের জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় আইডি-পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তথ্য প্রদান সম্পন্ন করতে হবে।”

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার হালনাগাদ করার কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৮ মে সংশোধিত বদলি নীতিমালার আলোকে সফটওয়্যার আপডেট করে তা মাউশিকে অবহিত করা হয়। এর আগে, গত ১০ মে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী সফটওয়্যার আপডেটের জন্য টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত ৬ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সংশোধিত বদলি নীতিমালা জারি করে। নতুন নীতিমালায় বদলির ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষক বদলির মাধ্যমে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করার পর সেখানে ন্যূনতম দুই বছর চাকরি সম্পন্ন না করলে পুনরায় বদলির আবেদন করতে পারবেন না।

এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্যপদের তথ্য নির্ধারিত সময়ে অনলাইনে প্রকাশ করবে। সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রকাশিত শূন্যপদের বিপরীতে শিক্ষকদের কাছ থেকে অনলাইনে বদলির আবেদন গ্রহণ করা হবে। একইসঙ্গে বদলির আদেশ জারি এবং নতুন কর্মস্থলে যোগদানের কার্যক্রমও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করা হবে।

সংশোধিত নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, সকল স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান শিক্ষক বা একই বিষয়ের শিক্ষক পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে বদলির আবেদন করা যাবে। প্রতি বছর সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই, বদলির আদেশ জারি এবং যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, আবেদনকারী শিক্ষক প্রথমে তার চাকরির আবেদনে উল্লেখ করা নিজ জেলার শূন্যপদের বিপরীতে বদলির আবেদন করতে পারবেন। যদি নিজ জেলায় কোনো শূন্যপদ না থাকে, তাহলে তিনি নিজের বিভাগের অন্য যেকোনো জেলার বিদ্যমান শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

এছাড়াও পারিবারিক কারণে বদলির সুযোগও রাখা হয়েছে। কোনো শিক্ষক তার স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা কিংবা স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল জেলায় বদলির আবেদন করতে পারবেন। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মস্থল অবশ্যই সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান অথবা এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে হবে।

নতুন নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো শিক্ষক প্রথমবার কোনো প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর কমপক্ষে দুই বছর চাকরি সম্পন্ন করলে তবেই তিনি বদলির জন্য আবেদন করার যোগ্যতা অর্জন করবেন।

এর আগে সংশোধিত বদলি নীতিমালাটি অনুমোদন দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নীতিমালাটি জারির পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আপলোডের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। খুব শিগগিরই এটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে, যাতে শিক্ষকরা অনলাইনে নীতিমালার পূর্ণাঙ্গ কপি দেখতে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা অনুসরণ করতে পারেন।

সার্বিকভাবে বলা যায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে তথ্য প্রদান সম্পন্ন করতে না পারলে অনেক শিক্ষক বদলি কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তাই প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দ্রুত প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও সফটওয়্যারে আপলোড করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme