1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

টপ টু বটম সবাই জাল-আমাদের শিক্ষাঙ্গনের বাস্তব চিত্র

  • Update Time : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬
  • ৫৫ Time View
জাল শিক্ষক

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার বনপাড়া আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ-এ ভয়াবহ নিয়োগ জালিয়াতি, জাল সনদ ব্যবহার এবং অবৈধভাবে সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের বিস্ফোরক তথ্য সামনে এসেছে। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত ৭৬ জন শিক্ষকের মধ্যে ৭৩ জনের সনদই জাল। এর মধ্যে কলেজ শাখার ৬১ শিক্ষক-কর্মচারীর সবাই জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি করেছেন। এসব জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি করে সরকারের সাড়ে ৫ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, কলেজ শাখায় কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতা বাবদ ৪ কোটি ২১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬৬ টাকা উত্তোলন করেছেন। অন্যদিকে স্কুল শাখার শিক্ষক-কর্মচারীরা নিয়েছেন ১ কোটি ৩৬ লাখ ২২ হাজার ৮০১ টাকা।

গত বছরের অক্টোবরে প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন ডিআইএর পরিদর্শক সনজয় চন্দ্র মন্ডল, সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মো. নুরুল আফছার এবং অডিটর মো. সিরাজুল ইসলাম। তদন্ত শেষে গত রবিবার প্রতিবেদনটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।

তদন্তে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মো. ইমদাদুল হকের বিরুদ্ধে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচাইয়ের জন্য পাঠানো তার স্নাতকোত্তর সনদের সঙ্গে প্রকৃত পরিচয়ের কোনো মিল পাওয়া যায়নি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সনদধারীর পিতার নাম ‘Md Asir Uddin’ এবং মাতার নাম ‘Mrs Ahmeda Khatun’ হলে সনদটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হবে। কিন্তু মো. ইমদাদুল হকের এসএসসি, আলিম ও চাকরির কাগজপত্রে পিতার নাম উল্লেখ রয়েছে ‘মো. আজহার আলী’ এবং মাতার নাম ‘মমিরন নেছা’। ফলে তদন্ত কর্মকর্তারা সনদটিকে জাল বলে উল্লেখ করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিআইএ পরিচালক অধ্যাপক এম এম সহিদুল ইসলাম বলেন, “একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এত শিক্ষকের সনদ জালিয়াতির বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমরা মন্ত্রণালয়কে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছি। এখন পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।”

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বনপাড়া আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. ইমদাদুল হক ২০০০ সালে নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। কিন্তু নিয়োগের সময় তার প্রয়োজনীয় বিএড সনদ এবং অভিজ্ঞতা ছিল না। এমনকি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতেও ইচ্ছাকৃতভাবে শিক্ষাগত যোগ্যতা সীমিত করে দেওয়া হয়েছিল, যাতে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সহজেই নিয়োগ দেওয়া যায়। পরে তিনি শান্তা মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি থেকে বিএড সনদ গ্রহণ করেন, যা তদন্ত কর্মকর্তারা গ্রহণযোগ্য নয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন।

শুধু তাই নয়, এমপিওভুক্তির সময় তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ জমা দিলেও নিরীক্ষাকালে আবার আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির আরেকটি সনদ দাখিল করেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নীতিমালা অনুযায়ী ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদও গ্রহণযোগ্য নয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, জাল সনদ ব্যবহার করে অধ্যক্ষ মো. ইমদাদুল হক একাই ৪১ লাখ ২১ হাজার ২৬১ টাকা সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলন করেছেন। এর মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে ২৬ লাখ ১৮ হাজার ৮৫৪ টাকা এবং অধ্যক্ষ হিসেবে ১৬ লাখ ১০ হাজার ৪০৭ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে।

এছাড়া বনপাড়া আদর্শ স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আরিফ রব্বানীর কাছ থেকে ৯ লাখ ১ হাজার ৮৭৭ টাকা ফেরত আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে। চার সহকারী শিক্ষক আছাদুজ্জামান, শামছুন নাহার, নাসরীন সুলতানা এবং আয়েশা খাতুনের কাছ থেকে যথাক্রমে ৮ লাখ ৫ হাজার ১৯৪ টাকা, ৩৭ লাখ ১১ হাজার ৭৩৮ টাকা, ২৮ লাখ ৭১ হাজার ৭৪৮ টাকা এবং ৩২ লাখ ৮৯ হাজার ২৬০ টাকা করে ফেরত পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া অফিস সহায়ক ইসমেতারা, পরিচ্ছন্নতা কর্মী আবু নাঈম, আয়া ঝর্ণা আক্তার এবং নৈশপ্রহরী তরিকুল ইসলামের কাছ থেকেও যথাক্রমে ৫ লাখ ৬০ হাজার ৮১৫ টাকা, ৫ লাখ ৬০ হাজার ৭২৩ টাকা, ৫ লাখ ৬০ হাজার ৭২৩ টাকা এবং ৫ লাখ ৬০ হাজার ৭২৩ টাকা ফেরত আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো স্টক রেজিস্টার সংরক্ষণ করা হয়নি। সরকারি মালামালের হিসাব সংরক্ষণ এবং নিয়মিত স্টক যাচাইয়ের কাজও হয়নি। দীর্ঘদিন মেয়াদোত্তীর্ণ এডহক কমিটি দিয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হয়েছে। গভর্নিং বডির কার্যক্রমেও নানা ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।

তদন্ত কর্মকর্তারা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ড ও এমপিও নীতিমালা ধারাবাহিকভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। এমনকি এক পদে কর্মরত থেকে অন্য পদের বেতন উত্তোলনের ঘটনাও ঘটেছে।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব (নিরীক্ষা অধিশাখা) মোহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, “তদন্ত প্রতিবেদনটি এখনো আমার কাছে আসেনি। প্রতিবেদন হাতে পেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তদন্ত প্রতিবেদনে কলেজ শাখার বিভিন্ন শিক্ষক-কর্মচারীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে। অধ্যক্ষ মো. ইমদাদুল হকের কাছে ৪১ লাখ ২১ হাজার ২৬১ টাকা ছাড়াও তানজিলা ইসলাম লিজা, মো. আবু রায়হান, মোস্তাফিজুর রহমান, লুৎফা তালুকদার, মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, তৌহিদা বেগম, মো. শহীদুল আলম, মো. তৌহিদুজ্জামান আকন্দ, মাহমুদা আক্তার, লুবানা জাহান, বিপুল দেবনাথ, আবু সাঈদ, মুহাম্মদ আজিজুল হক, খন্দকার শামছুল হুদা এবং মো. হাফিজুর রহমানের কাছ থেকে ১২ লাখ ১২ হাজার ৯৯ টাকা করে ফেরত আদায়ের কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া মো. জাবরুল ইসলামের কাছে ৬ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ টাকা, মো. কামরুল ইসলামের কাছে ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৪২৫ টাকা, মোহাম্মদ লুৎফর রহমানের কাছে ১২ লাখ ৪১ হাজার ৫৮২ টাকা, মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ হাসানের কাছে ১২ লাখ ৮১ হাজার ৫৮২ টাকা, মোহাম্মদ এরশাদ আলীর কাছে ১২ লাখ ৪১ হাজার ৫৮২ টাকা ফেরত পাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রভাষক পদে কর্মরত মোস্তফা হাসান, শাহানাজ পারভীন, ছিদ্দিকুন নাহার, মো. ফারুক খান, বিউটি রানী সরকার, শফিকামাল, নাসরিন আক্তার, রেহানা পারভীন, মো. আলমগীর হোসেন, মো. ফজলুল হক, মো. হাফিজুল ইসলাম, শেফালী খাতুন, মো. খাইরুল বাশার এবং মো. সেলিমের কাছ থেকেও বিভিন্ন অঙ্কের অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে।

কলেজ শাখার সহকারী শিক্ষক পলাশ চন্দ্র সরকারের কাছ থেকে ৬ লাখ ১৫ হাজার ৫৩০ টাকা এবং চার প্রদর্শক মোহাম্মদ সোহাগ মিয়া, আফরিন জাহান, ফাতেমা তুজ জহুরা এবং মাহফুজুর রহমানের কাছ থেকে যথাক্রমে ৮ লাখ ৯১ হাজার ২৮৪ টাকা, ৮ লাখ ৯১ হাজার ২৮৪ টাকা, ৪ লাখ ৫৫ হাজার ৫৭৬ টাকা এবং ৮ লাখ ৯১ হাজার ২৮৪ টাকা ফেরত আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে।

দুই সহকারী গ্রন্থাগারিক রেফাজ উদিন এবং মো. আহসান উল্যাহর কাছ থেকে যথাক্রমে ১ লাখ ৭১ হাজার ৯০০ টাকা এবং ৮ লাখ ৯১ হাজার ২৮৪ টাকা ফেরত পাওয়া যাবে। এছাড়া দুই অফিস সহকারী মো. আমিনুল হক ও আসাদুজ্জামানের কাছ থেকে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯ টাকা করে এবং হিসাব সহকারী মো. আব্দুল্লাহ আল ফাহিমের কাছ থেকেও একই পরিমাণ অর্থ ফেরত আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে।

ল্যাব সহকারী ইমরুল হাসান কায়েস, ইসরাত জাহান, সুসমিতা আক্তার জেরিন এবং শেফালী বেগমের কাছ থেকে যথাক্রমে ৩ লাখ ৭০ হাজার ৭৯৬ টাকা, ৩ লাখ ৯ হাজার ৮৯৬ টাকা, ৩ লাখ ৯ হাজার ৩৬৮ টাকা এবং ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৩২ টাকা ফেরত পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

চার অফিস সহায়ক মো. জুয়েল মিয়া, সুজন মিয়া, মো. আমিনুল ইসলাম এবং আরিয়ান হাসানের কাছ থেকে যথাক্রমে ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৬২০ টাকা, ৪ লাখ ৯১ হাজার ৬৫৫ টাকা, ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং ২ লাখ ৯৭ হাজার ৮৩ টাকা ফেরত পাওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া নিরাপত্তাকর্মী রাকিবুল হাসান রনি এবং মো. জাকারিয়া ইসলামের কাছ থেকে যথাক্রমে ২ লাখ ৭৩ হাজার ৯৩৭ টাকা ও ৬৮ হাজার ৮২২ টাকা ফেরত পাওয়া যাবে। কম্পিউটার অপারেটর আশরাফুন নাহারের কাছে ৭৬ হাজার ৫৭৬ টাকা, নিরাপত্তাকর্মী মোস্তফা কামালের কাছে ৭৬ হাজার ৩৫০ টাকা এবং অফিস সহায়ক রিফাত হাসানের কাছে ৭৬ হাজার ৩৫১ টাকা ফেরত আদায়ের কথা বলা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কলেজ শাখায় কর্মরত আরও দুই জাল সনদধারী ব্যক্তি তাদের তথ্য না দেওয়ায় তাদের আর্থিক হিসাব প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে স্কুল শাখার ক্ষেত্রেও একই ধরনের জালিয়াতির তথ্য উঠে এসেছে। সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আরিফ রব্বানীর কাছ থেকে ৯ লাখ ১ হাজার ৮৭৭ টাকা, সহকারী শিক্ষক আছাদুজ্জামান, শামছুন নাহার, নাসরীন সুলতানা এবং আয়েশা খাতুনের কাছ থেকে যথাক্রমে ৮ লাখ ৫ হাজার ১৯৪ টাকা, ৩৭ লাখ ১১ হাজার ৭৩৮ টাকা, ২৮ লাখ ৭১ হাজার ৭৪৮ টাকা এবং ৩২ লাখ ৮৯ হাজার ২৬০ টাকা ফেরত পাওয়ার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

এছাড়া অফিস সহায়ক ইসমেতারা, পরিচ্ছন্নতা কর্মী আবু নাঈম, আয়া ঝর্ণা আক্তার এবং নৈশপ্রহরী তরিকুল ইসলামের কাছ থেকেও লাখ লাখ টাকা ফেরত আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে সংঘবদ্ধভাবে জাল সনদ ব্যবহার, অবৈধ নিয়োগ এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme