1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

এমপিও শিক্ষকদের ১৫% বাড়িভাড়া জুলাই হতে কার্যকরের বিষয়ে যা জানাল মাউশি

  • Update Time : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
  • ৫৫৪ Time View
মাউশি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা দুই ধাপে বাড়িয়ে মূল বেতনের ১৫ শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। ইতোমধ্যে প্রথম ধাপে সাড়ে ৭ শতাংশ বাড়িভাড়া কার্যকর হয়েছে। আগামী জুলাই মাস থেকে দ্বিতীয় ধাপে আরও সাড়ে ৭ শতাংশ যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া এ সিদ্ধান্ত নতুন করে গঠিত বিএনপি সরকার বাস্তবায়ন করবে কিনা, তা নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) দায়িত্বশীল পাঁচ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেওয়া বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে। তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা আরও সাড়ে ৭ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল হওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা বা আলোচনা তারা শুনেননি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী জুলাই থেকেই বাড়িভাড়া মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হিসেবে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ১৫ শতাংশে উন্নীত করার সময় বিএনপিরও সম্মতি ছিল। শিক্ষক নেতারা বিষয়টি নিয়ে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। ফলে নতুন সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কোনো ধরনের বাধা থাকার কথা নয় বলেও তিনি মনে করেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২১ অক্টোবর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সম্মতি দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। ওইদিন জারি করা সম্মতিপত্রে বলা হয়, সরকারের বিদ্যমান বাজেট সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে বাড়িভাড়া ভাতা দুই ধাপে বৃদ্ধি করা হবে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ থেকে মূল বেতনের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া কার্যকর করা হয়, যার সর্বনিম্ন পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার টাকা। এরপর ১ জুলাই ২০২৬ তারিখ থেকে আরও অতিরিক্ত ৭ দশমিক ৫ শতাংশ যুক্ত হয়ে বাড়িভাড়ার মোট হার মূল বেতনের ১৫ শতাংশে উন্নীত হবে। তবে সর্বনিম্ন ভাতার পরিমাণ ২ হাজার টাকাই বহাল থাকবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা সম্মতিপত্রে বাড়িভাড়া বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্তও উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, ভবিষ্যতে নতুন বেতনস্কেল কার্যকর হলে এই অতিরিক্ত সুবিধা সমন্বয় করতে হবে। পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা অনুসারে নিয়োগের শর্ত যথাযথভাবে পালন করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১’, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত)’ এবং ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা, কৃষি ডিপ্লোমা ও মৎস্য ডিপ্লোমা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত)’। এছাড়াও সরকার কর্তৃক সময় সময় জারি করা সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিপত্র ও নীতিমালাও অনুসরণ করতে হবে।

আরও বলা হয়, বাড়িভাড়া বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা কোনো ধরনের বকেয়া সুবিধা পাবেন না। অর্থাৎ সিদ্ধান্ত কার্যকরের আগের সময়ের জন্য অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা যাবে না। একইসঙ্গে ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে সকল আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। ভবিষ্যতে এই খাতে কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে বিল পরিশোধকারী কর্তৃপক্ষকে দায়ভার বহন করতে হবে বলেও সম্মতিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ বা জিও জারি করে তার চার কপি অর্থ বিভাগে পৃষ্ঠাঙ্কনের জন্য পাঠাতে হবে। একইসঙ্গে অর্থ বিভাগের প্রবিধি-৩ শাখা থেকে গত ১৬ অক্টোবর জারি করা ২৬০ নম্বর স্মারকের পত্রটি বাতিল করা হয়েছে বলেও সম্মতিপত্রে জানানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme