1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

এমপিও শিক্ষকদের মে মাসের বিল সাবমিট নিয়ে যে নতুন নির্দেশনা দিল মাউশি

  • Update Time : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ৩৭৭ Time View
মাউশি

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) অধীন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মে-২০২৬ মাসের বেতন ও ঈদুল আজহার উৎসব ভাতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। এর আগে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের আগামী ১৩ মে ২০২৬ তারিখের মধ্যে মে মাসের এমপিও বিল সাবমিট করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময় ঘনিয়ে এলেও বেতন বিল সাবমিট অপশন চালু না হওয়ায় সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনিশ্চয়তা ও চাপ তৈরি হয়। অবশেষে এ বিষয়ে নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে ইএমআইএস সেল। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সার্ভারে অতিরিক্ত চাপ এড়ানোর জন্য আপাতত শুধুমাত্র উৎসব ভাতা বা বোনাস বিল সাবমিট অপশন চালু রাখা হয়েছে। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন কেবল ঈদ বোনাসের বিল সাবমিট করতে পারছে। অন্যদিকে মে মাসের মূল বেতন বিল সাবমিটের অপশন এখনও চালু হয়নি। ইএমআইএস সেল জানিয়েছে, আগামী ১৪ অথবা ১৫ মে ২০২৬ তারিখে মে মাসের বেতন বিল সাবমিট অপশন চালু করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত সময়ের মধ্যে বেতন বিল সাবমিট করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কারণ প্রতি বছর ঈদের আগে বেতন ও বোনাস পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে শিক্ষক সমাজে হতাশা বাড়ে। অনেক শিক্ষক অভিযোগ করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপশন চালু না করেই বিল সাবমিটের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলো অযথা চাপের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে অতিরিক্ত সমস্যার সম্মুখীন হয়। শিক্ষা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বর্তমানে ইএফটি কার্যক্রম পুরোপুরি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় একই সময়ে বিপুল সংখ্যক প্রতিষ্ঠান সার্ভারে প্রবেশ করলে প্রযুক্তিগত জটিলতা তৈরি হচ্ছে। সে কারণেই ধাপে ধাপে বিল সাবমিট অপশন চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষক নেতারা বলছেন, যদি আগে থেকেই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সময়ভিত্তিক নির্দেশনা দেওয়া হতো, তাহলে এমন বিভ্রান্তি তৈরি হতো না। তারা দ্রুত বেতন বিল সাবমিট অপশন চালু করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বেতন-ভাতা ছাড়ের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে অনেক প্রতিষ্ঠান প্রধানও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, বেতন বিল সাবমিটে দেরি হলে ঈদের আগেই শিক্ষক-কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে বেতন পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা তৈরি হতে পারে। যদিও সংশ্লিষ্ট দপ্তর আশ্বস্ত করেছে যে, অপশন চালু হওয়ার পর দ্রুত বিল প্রসেসিং সম্পন্ন করা হবে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা যথাসময়ে ইএফটির মাধ্যমে পাঠানোর চেষ্টা করা হবে। এখন সকলের দৃষ্টি ১৪ ও ১৫ মে’র দিকে, কারণ ওই সময়ের মধ্যেই বেতন বিল সাবমিট অপশন চালু হলে দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অবসান ঘটতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme