1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

মে মাসের বিল সাবমিটে Save অপশন যুক্ত হওয়ার কারণ হিসাবে যা জানাল মাউশি

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ১৫৫৮ Time View
মাউশি

আর কিছুদিন পরই মুসলমানদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হতে যাচ্ছে। চলতি বছর মে মাসের শেষ সপ্তাহেই ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনা থাকায় এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে বেতন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ঈদের আগেই মে মাসের বেতন হাতে পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আর এই উদ্বেগ দিন দিন আশঙ্কায় রূপ নিচ্ছে মাউশির কার্যক্রম ও আচরণের কারণে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ইতোমধ্যে মে মাসের বেতন বিল সাবমিটের কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে নোটিশ প্রকাশ করলেও বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে। বাস্তবতা হলো, এখন পর্যন্ত মে মাসের বিল সাবমিট প্রক্রিয়া কার্যকরভাবে চালুই করতে পারেনি মাউশি। এটিকে কেউ গাফিলতি বলুক কিংবা প্রযুক্তিগত ব্যর্থতা বলুক—দায়ভার কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাউশিকেই নিতে হবে।

মাউশি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৩ মে পর্যন্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের বেতন বিল অনলাইনে সাবমিট করা যাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা বিল দাখিল করলে তা যাচাই-বাছাই শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বেতন ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তবে বাস্তবে সেই প্রক্রিয়া এখনো শুরুই হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল ১১ মে মাউশির ইএমআইএস সেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, ১২ মে থেকে বিল সাবমিট করা যাবে। সেই আশায় আজ শিক্ষকরা বারবার চেষ্টা করলেও সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি।

আজ বিকেল ৪টা ২২ মিনিটে পুনরায় ইএমআইএস সেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সেলের প্রোগ্রামার জনাব মোঃ জহির উদ্দিন জানান, সার্ভারে অতিরিক্ত চাপ পড়ার আশঙ্কায় আপাতত শুধু বোনাস সাবমিট অপশন চালু করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, একটি পর্যায়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামীকাল অথবা পরশু থেকে মে মাসের বেতন সাবমিট অপশন চালু করা হতে পারে।

মাউশির এমন হাস্যকর ও প্রহসনমুলক বক্তব্য ও ধীরগতির কার্যক্রমের পর এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে—ঈদের আগেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মে মাসের বেতন হাতে পাবেন কি না। পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা আরও বেড়েছে বলেই মনে করছেন শিক্ষকরা।

এর পূর্বে মাউশি হতে জানানো হয়েছিল যে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ নির্দেশনা এলে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি পাওয়া গেলে ঈদের আগেই শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের বেতন ছাড় করা হতে পারে। কিন্তু এ ধরনের বিশেষ নির্দেশনা না এলে ঈদের আগে চলতি মাসের বেতন পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বর্তমানে মাউশির যে, অবস্থান ও কার্যক্রম তাতে বোঝা যাচ্ছে যে, তারা যে কোন মুল্যে তাদের পূর্বের অবস্থান হতে ফিরে আসতে চাইছেন। হয়ত এখানে তাদের কোন দোষ নাই। তাদের নীরবে বিষয়গুলো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বাস্তবায়ন করতে বাধ্য হচ্ছে। কারণ তারা তো পূর্বেই বলেছিল যে, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনা প্রয়োজন তবেই কেবল এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ তাদের মে মাসের বেতন ঈদের পূর্বে পেতে পারেন।

মাউশির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চলতি মাসের বেতন আগাম পান না। তবে ঈদ বা বিশেষ উৎসবকে কেন্দ্র করে অনেক সময় ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের বিশেষ সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, ঈদের আগে মে মাসের বেতন দিতে হলে শিক্ষামন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা প্রয়োজন। পাশাপাশি অর্থমন্ত্রীরও সম্মতি লাগবে। এই দুই পর্যায়ের অনুমোদন ছাড়া চলতি মাসের বেতন আগাম দেওয়ার সুযোগ নেই।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, শুধুমাত্র মাউশির পক্ষ থেকে প্রস্তাব পাঠালেই হবে না। এ বিষয়ে মূল উদ্যোগ নিতে হবে শিক্ষামন্ত্রীকে। তিনি যদি আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা দেন, তাহলে মাউশি প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু করবে এবং দ্রুত বেতন ছাড়ের জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তাই এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায় বিষয়টি সত্যি সত্যি সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রতি মাসে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রদানের জন্য নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। প্রথমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা অনলাইনে বেতন বিল দাখিল করেন। এরপর সংশ্লিষ্ট দপ্তর বিল যাচাই-বাছাই করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে বেতনের অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা নেয়। সবশেষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার টাকা ব্যাংকে পাঠানো হয়।

এদিকে সরকার ইতোমধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করেছে। অনলাইনে বিল দাখিল ও অনুমোদনের এই পদ্ধতির ফলে পুরো কার্যক্রম এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি স্বচ্ছ ও দ্রুত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিজিটাল প্রক্রিয়া চালুর কারণে বেতন-ভাতা সংক্রান্ত জটিলতা অনেকটাই কমেছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীরাও দ্রুত সেবা পাচ্ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme