বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা বাড়ানোর বিষয়ে একটি প্রস্তাব ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পাওয়া গেলে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। তবে অত্যন্ত দুংখের বিষয় এই যে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন আজ (২৪মার্চ) অবধি পাওয়া যায়নি। অতএব সেই মর্মে বলাই যায় যে, মার্চ মাসের বেতনের সাথে ১০% বৃদ্ধিকৃত উৎসব ভাতা বকেয়া আকারে পাওয়ার যে আশা এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা করেছিল সে আশা পুরণ হচ্ছে বলে মনে হয় না।
এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে উৎসব ভাতা বৃদ্ধির একটি ডিও লেটার অর্থমন্ত্রী বরাবর পাঠানো হয়। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে এই চিঠির মাধ্যমে প্রস্তাবটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে সেই শিক্ষা মন্ত্রীর চিঠির জবাব বলেন বা বরাদ্দ বলেন এখনও অর্থ মন্ত্রণালয় হতে কোনপ্রকার সবুজ সংকেত পাওয়া যায় নি। তাই অবস্থার পরিপেক্ষিতে এই কথা মনে হয় বলায় যায় যে, আগামী ঈদুল আযহার পূর্বে মনে হয় না এই বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত আসবে।
ইআইএমএস সেলের তথ্যমতে আগামীকাল (২৫ মার্চ) হতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতন বিল সাবমিটের কার্যক্রম চালু হবে যা চালু থাকবে আগামী ২৮ মার্চ অবধি। তো এখনও যেহেতু উৎসব ভাতার অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয় নি তাহলে এ বিষয়ে আর নতুন করে কোন কিছু বলার অবকাশ রয়েছে বলে মনে হয় না।
বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পান। নতুন প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে এতে আরও ১০ শতাংশ যোগ হয়ে উৎসব ভাতা ৬০ শতাংশে উন্নীত হবে। এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে উৎসব ভাতা বৃদ্ধির দাবির প্রেক্ষিতে। তারপরও সেই বিষয়টি নিয়ে এত নাটক।
Leave a Reply