বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা বাড়ানোর বিষয়ে একটি প্রস্তাব ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পাওয়া গেলে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। তবে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, অনেক সময় অভ্যন্তরীণ আলোচনা আগেভাগেই বাইরে চলে যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক।
এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে উৎসব ভাতা বৃদ্ধির একটি ডিও লেটার অর্থমন্ত্রী বরাবর পাঠানো হয়। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে এই চিঠির মাধ্যমে প্রস্তাবটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ঈদুল ফিতরে বর্ধিত উৎসব ভাতা পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। কারণ ইতোমধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতার বিল ৫০ শতাংশ হারে জমা দেওয়া হয়েছে। ফলে এই ঈদে আগের নিয়মেই ভাতা পাওয়া যেতে পারে।
মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত বুধবার ছিল উৎসব ভাতার বিল জমা দেওয়ার শেষ সময়। সেই অনুযায়ী ৫০ শতাংশ হিসাবেই বিল সাবমিট করা হয়েছে। যদি পরে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন ও অর্থ ছাড় হয়, তাহলে ঈদের পর মার্চ মাসের বেতনের সঙ্গে বাড়তি অর্থ সমন্বয় করা হতে পারে। অন্যথায় ঈদুল আজহা থেকেই নতুন হারে উৎসব ভাতা কার্যকর হতে পারে।
বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পান। নতুন প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে এতে আরও ১০ শতাংশ যোগ হয়ে উৎসব ভাতা ৬০ শতাংশে উন্নীত হবে। এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে উৎসব ভাতা বৃদ্ধির দাবির প্রেক্ষিতে।
Leave a Reply