নবম জাতীয় পে-স্কেল প্রণয়নকে ঘিরে দফায় দফায় আলোচনা চললেও এখনো পূর্ণ কমিশনের স্থগিত হওয়া সভার নতুন তারিখ চূড়ান্ত করা যায়নি। কমিশনের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগামীকাল সোমবার অথবা মঙ্গলবারের মধ্যে নতুন তারিখ নির্ধারণ করে সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে—আগামী সপ্তাহেই সভা অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান এবং অন্যান্য সদস্যদের সময়সূচির ওপর নির্ভর করে প্রয়োজনে এর আগে কিংবা পরেও তারিখ পরিবর্তিত হতে পারে।
কমিশনের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এই সভাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ এটিতে নবম পে-স্কেলের বেশ কিছু নীতিগত বিষয় চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সংস্থা, সংগঠন এবং দপ্তরের মতামত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের পর এখন কমিশন বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য একটি সুপারিশ প্রণয়নে মনোযোগী।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামোয় বর্তমানে ২০টি গ্রেড বিদ্যমান। নতুন পে-স্কেলে এই গ্রেড সংখ্যা বহাল থাকবে কি না—এ নিয়ে কমিশনের ভেতরে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে।
কমিশনের প্রথম অংশের মতামত:
দ্বিতীয় অংশের প্রস্তাব:
তৃতীয় অংশের প্রস্তাব:
পে-কমিশন জানিয়েছে, বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার—মন্ত্রণালয়, দপ্তর, পেশাজীবী সংগঠন ও প্রশাসনিক সংস্থার দেওয়া মতামতগুলো চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
এসব প্রক্রিয়া চলমান থাকায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন লেখার কাজ এখনও শেষ হয়নি। ফলে সুপারিশ জমা দেওয়ার সময়সীমা কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
অতএব, আসন্ন পূর্ণ কমিশন সভাকে নবম পে-স্কেলের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখা হচ্ছে।
Leave a Reply