জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী এখন থেকে শিক্ষার্থীদের তত্ত্বীয়, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরকে আগে লেটার গ্রেড ও গ্রেড পয়েন্টে রূপান্তর করা হবে। এ রূপান্তর সম্পূর্ণভাবে হবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) নির্ধারিত অভিন্ন গ্রেডিং নীতিমালা অনুসারে। অর্থাৎ, শিক্ষার্থীর কাঁচা নম্বর থেকেই নির্ধারিত হবে সে কোন লেটার গ্রেড (A+, A, B+, … D, F) এবং কোন গ্রেড পয়েন্ট (৪.০০–০.০০) পাবে।
প্রতিটি শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীর জিপিএ (GPA) নির্ধারণ করা হবে মোট অর্জিত গ্রেড পয়েন্টকে ঐ বর্ষের মোট ক্রেডিট দিয়ে ভাগ করে। নির্দেশনায় উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে—
একজন শিক্ষার্থী চারটি কোর্স থেকে মোট ৩৯ পয়েন্ট অর্জন করলে এবং মোট ক্রেডিট ১৬, তবে অন্যান্য নিয়ম অনুসারে উত্তীর্ণ ক্রেডিট ধরা হয় ১২, তবুও GPA = 39 ÷ 16 = 2.44।

পুরো ডিগ্রি কোর্সের সিজিপিএ (CGPA) নির্ণয় করা হবে প্রথম বর্ষ থেকে শেষ বর্ষ পর্যন্ত সব বর্ষের মোট অর্জিত পয়েন্ট যোগ করে তা ডিগ্রির মোট ক্রেডিট দিয়ে ভাগ করে। পাশাপাশি নির্দেশনায় ইপিএস (Earned Points Secured), জিপিএস (Grade Point Average), টিপিএস (Total Points Secured) ও সিজিপিএ—এসব পরিভাষার পরিষ্কার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় প্রমোশন, উন্নয়ন পরীক্ষা ও মানোন্নয়ন সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে।
Leave a Reply