1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
Title :
যে দুই কারণে আটকে আছে পে স্কেল যে কোন সময় মন্ত্রীসভায় রদবদল আসছে বড় ধরনের চমক এমপিও শিক্ষকগণ বদলি আবেদনের জন্য কতদিন সময় পাবেন জানাল মাউশি নতুন রাষ্ট্রপতি হিসাবে সর্বাধিক আলোচিত হচ্ছে যাদের নাম চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে রিট করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পে স্কেল নিয়ে বিপাকে সরকার, বিকল্প বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার ইস্যুতে কঠোর নির্দেশনা দিল মাউশি

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৮৬ Time View
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার ইস্যুতে কঠোর নির্দেশনা দিল মাউশি

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুপযুক্ত আচরণ, মন্তব্য, পোস্ট বা শেয়ার দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে—এমন আশঙ্কার প্রেক্ষিতেই এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

বুধবার (২২ অক্টোবর ২০২৫) মাউশির সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) খালিদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। আদেশটি দেশের সব সরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে, যাতে তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করেন এবং নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করেন।

নির্দেশনার মূল বিষয়সমূহ

আদেশে বলা হয়, সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ এবং নবপ্রণীত ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুসরণ বাধ্যতামূলক।
এই দুটি বিধান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচরণ, দায়িত্ববোধ, তথ্য প্রচার ও ব্যক্তিগত মত প্রকাশের সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। এগুলো অমান্য করা হলে তা কেবল প্রশাসনিক আচরণবিধি লঙ্ঘন নয়, বরং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

নিষিদ্ধ ও সীমিত আচরণ

মাউশির আদেশে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে—

  • সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক বা শিক্ষার্থী কেউই রাষ্ট্র, সরকার, প্রশাসন বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী কোনো মন্তব্য, পোস্ট বা ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ বা শেয়ার করতে পারবেন না।
  • কোনো গোষ্ঠী, ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা ধর্মীয় বিশ্বাস সম্পর্কে অসত্য, উসকানিমূলক বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
  • সরকারি তথ্য, দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত বা গোপন নথি অননুমোদিতভাবে ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব বা অন্য প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করাও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
  • কোনো ধরনের সাইবার বুলিং, ট্রলিং বা মানহানিকর মন্তব্যে জড়িত হওয়া যাবে না।

সাইবার সুরক্ষা ও শাস্তির বিধান

‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর আলোকে, কেউ যদি সচেতনভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া, বিভ্রান্তিকর বা অপপ্রচারমূলক তথ্য ছড়ান, তাহলে তার বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের অপরাধ জরিমানা ও কারাদণ্ডযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সন্দেহজনক কার্যকলাপ বা সাইবার অপরাধের ঘটনা শনাক্ত হলে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

📢 সচেতনতা কার্যক্রমের নির্দেশ

মাউশি নির্দেশ দিয়েছে, প্রতিটি সরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে সচেতনতা সভা বা কর্মশালা আয়োজন করতে হবে, যেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার, ডিজিটাল নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা এবং আইনগত দিক নিয়ে আলোচনা হবে।

অফিস আদেশে শেষাংশে বলা হয়েছে—

“মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদেরকে ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ এবং ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।”

এর মাধ্যমে সরকার আসলে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব স্তরে সাইবার শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ নিশ্চিত করতে চায়। এটি শুধু প্রশাসনিক নিরাপত্তা নয়, বরং শিক্ষাক্ষেত্রে নৈতিক ও দায়িত্বশীল অনলাইন সংস্কৃতি গড়ে তোলারও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme