বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এখন ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হচ্ছে। আধুনিক এই প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মচারীদের ভোগান্তি কমানোর উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, নিয়মিত প্রক্রিয়ায় কিছু বাধা ও জটিলতা এখনও কাটেনি।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) পূর্বেই ঘোষণা দিয়েছিল যে, প্রতি মাসের ২৩ তারিখের মধ্যে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের প্রতিষ্ঠানের মাসিক বেতন বিল ইএফটি ড্যাশবোর্ডে সাবমিট করতে হবে। এ লক্ষ্যে গত মাসে মাউশির ইএমআইএস সেল থেকেও স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
তবে বাস্তবে ভিন্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আজ (২২ সেপ্টেম্বর) তারিখ পার হয়ে গেলেও সেপ্টেম্বর মাসের বিল সাবমিট করার জন্য ইএফটি ড্যাশবোর্ডে কোনো অপশন চালু হয়নি। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত সময়ে বিল সাবমিট করতে পারছে না।
মাউশির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগামীকাল থেকে বিল সাবমিট অপশন চালু করা হতে পারে। মূলত একটি প্রযুক্তিগত সমস্যার (Technical Problem) কারণে এই জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।
মাউশি আশ্বাস দিয়েছে যে, দ্রুতই সমস্যার সমাধান করা হবে এবং এই বিলম্বের কারণে যাতে প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য অতিরিক্ত সময়ও দেওয়া হবে। অর্থাৎ নির্ধারিত ২৩ তারিখের পরও বিল সাবমিট করার সুযোগ থাকবে। যা আগামী ২৪ তারিখ পর্যন্ত চলমান থাকবে বলে মাউশি সুত্রে জানানো হয়েছে।
একটি বিষয় পরিষ্কার—প্রযুক্তি ব্যবস্থার মাধ্যমে বেতন-ভাতা প্রদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ চালাতে হলে টেকনিক্যাল স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই সমস্যার সমাধানে কিছু বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে:
ইএফটি ব্যবস্থার উদ্দেশ্যই হলো জবাবদিহিতা, দ্রুততা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। তাই এই ধরনের প্রযুক্তিগত সমস্যাগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে কাটিয়ে উঠতে হবে। মাউশি যেভাবে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে, তাতে আশা করা যায় অচিরেই প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বিঘ্নে তাদের বিল সাবমিট করতে পারবে।
Leave a Reply