বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ও বাড়ি ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব এখনো অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে প্রেরিত তথ্য বিবরণী পর্যালোচনার কাজ সম্পন্ন হলে পরবর্তী ধাপে এ প্রস্তাব পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, “শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়ার প্রস্তাব আমরা গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করছি। এ প্রক্রিয়া শেষ করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। তবে আমরা চেষ্টা করছি দ্রুতই পর্যালোচনা শেষ করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে। মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে শিক্ষকরা শতকরা হারে বাড়ি ভাতা পাবেন।”
মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষকদের প্রস্তাব একইসঙ্গে পাঠানো হবে কি না জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেন, “মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষকদের বিষয়ে প্রস্তাব পাঠানোর দায়িত্ব কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের। আমরা কেবল স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষকদের জন্য প্রস্তাব পাঠাব।”
এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর মাউশি থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রেরিত আর্থিক তথ্য বিবরণীতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাতা শতাংশ হারে প্রদানের সম্ভাব্য ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন করা হয়। সেখানে ৫ শতাংশ, ১০ শতাংশ, ১৫ শতাংশ এবং ২০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাতা দিতে কত অর্থ প্রয়োজন হবে তার বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়।
তথ্য অনুযায়ী—
আর্থিক বিবরণীতে আরও বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাতা প্রদানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য মূল বেতনের শতকরা ২০ শতাংশ (ন্যূনতম ৩ হাজার টাকা) এবং বিকল্পভাবে শতকরা ১৫ শতাংশ (ন্যূনতম ২ হাজার টাকা), শতকরা ১০ শতাংশ (ন্যূনতম ২ হাজার টাকা) ও শতকরা ৫ শতাংশ (ন্যূনতম ২ হাজার টাকা) হারে বাড়ি ভাতার মাসিক ও বাৎসরিক আর্থিক বিশ্লেষণ টেবিল আকারে প্রস্তুত করা হয়েছে।
শেষ পর্যন্ত এই আর্থিক সংশ্লেষের বিবরণী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে নির্দেশক্রমে পাঠানো হয়েছে, যাতে প্রয়োজনীয় অনুমোদন সাপেক্ষে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বাড়ি ভাতা বৃদ্ধির কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা যায়।
Leave a Reply