1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
Title :
যে দুই কারণে আটকে আছে পে স্কেল যে কোন সময় মন্ত্রীসভায় রদবদল আসছে বড় ধরনের চমক এমপিও শিক্ষকগণ বদলি আবেদনের জন্য কতদিন সময় পাবেন জানাল মাউশি নতুন রাষ্ট্রপতি হিসাবে সর্বাধিক আলোচিত হচ্ছে যাদের নাম চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে রিট করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পে স্কেল নিয়ে বিপাকে সরকার, বিকল্প বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি

অবসর প্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের অবসর ও কল্যানের টাকা কোনদিন পাবে?

  • Update Time : বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫৯৫ Time View
অবসর প্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের অবসর ও কল্যানের টাকা কোনদিন পাবে?

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা পাওয়ার প্রক্রিয়ায় মারাত্মক ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। বর্তমানে অবসর সুবিধা বোর্ড ও শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে একসঙ্গে প্রায় ৮৮ হাজার আবেদন অনিষ্পন্ন অবস্থায় পড়ে আছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, মূলত অর্থ সংকটের কারণেই এই জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে, যা দিন দিন আরও প্রকট আকার ধারণ করছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, অবসর সুবিধা বোর্ড এখনো ২০২১ সাল পর্যন্ত জমা পড়া আবেদনের নিষ্পত্তি করতে পারছে। অন্যদিকে, শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট ২০২২ সালের আবেদনগুলো নিষ্পত্তির কাজ করছে। এ কারণে আবেদন নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা দেখা দিয়েছে। আবেদনকারীদের দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে, ফলে অনেকে হতাশায় ভুগছেন। বর্তমানে একটি আবেদন নিষ্পন্ন হতে গড়ে প্রায় আড়াই বছর সময় লেগে যাচ্ছে, যা আবেদনকারীদের জন্য এক ধরনের দুঃসহ বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অবসর সুবিধা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২২ মে পর্যন্ত তাদের কাছে ৪৫ হাজার আবেদন অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে। এসব আবেদন নিষ্পত্তি করতে প্রয়োজন ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ। অথচ বোর্ডের মাসিক চাহিদা যেখানে ৬৫ কোটি টাকা, সেখানে তহবিলে জমা হয় মাত্র ৫৫ কোটি টাকা। এতে প্রতি মাসে গড়ে ১০ কোটি টাকার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। বছরের হিসেবে এই ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১২০ কোটি টাকা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আবেদন নিষ্পত্তির কাজ থমকে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট জানিয়েছে, কল্যাণ সুবিধার জন্য জমা পড়া ৪২ হাজার ৬০০টি আবেদন এখনো নিষ্পন্ন হয়নি। এসব আবেদন নিষ্পত্তি করতে প্রয়োজন প্রায় ৩ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা। এই বিশাল অঙ্কের অর্থের যোগান না থাকায় ট্রাস্টও সংকটে পড়েছে।

আবেদনকারীদের মধ্যে অনেকে বছরের পর বছর অপেক্ষা করছেন অবসরকালীন অর্থ পাওয়ার জন্য। অনেকেই এই দীর্ঘসূত্রিতার কারণে জীবিকা নির্বাহ করতে বাধ্য হচ্ছেন ধারদেনার ওপর নির্ভর করে। কেউ কেউ আবার নানাভাবে দারুণ আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এত বিপুলসংখ্যক অনিষ্পন্ন আবেদন নিষ্পত্তির জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা সুস্পষ্ট পরিকল্পনা এখনো হাতে নেয়নি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে যথেষ্ট অর্থ বরাদ্দ দিয়ে অনিষ্পন্ন আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে শিক্ষক-কর্মচারীরা তাঁদের প্রাপ্য সুবিধা যথাসময়ে পান এবং আর্থিক কষ্ট থেকে মুক্ত হতে পারেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme