সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে আসছে বড় পরিসরের বিজ্ঞপ্তি। নতুন নিয়োগ বিধিমালা–২০২৫ চূড়ান্ত হলে আগামী ২-৩ মাসের মধ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।
নতুন বিধিমালায় থাকবে না নারী বা পোষ্য কোটা। ৯৩ শতাংশ পদে নিয়োগ হবে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে, আর ৭ শতাংশ সংরক্ষিত থাকবে মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য।
এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রাথমিকের বিজ্ঞপ্তিতে সাধারণত পদসংখ্যা উল্লেখ করা হয় না, তবে বর্তমানে সহকারী শিক্ষক পদে ৮,০৪৩টি শূন্যপদ রয়েছে। এই সংখ্যা বাড়তে বাড়তে ১০–১২ হাজার পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে আলাদা করে আরও ৫,১৬৬ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে—প্রতি ক্লাস্টারে (২০–২৫ বিদ্যালয়ের একটি ইউনিট) একজন করে।
প্রধান শিক্ষকের পদোন্নতির ফলে খালি হওয়া পদেও নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রায় ৩০ হাজার সহকারী শিক্ষক পদোন্নতির অপেক্ষায় রয়েছেন।
নিয়োগ বিধিমালার খসড়া বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন হলে তা পাঠানো হবে অর্থ, আইন ও সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) মতামতের জন্য। প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরদিনই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বর্তমান ২০১৯ সালের নিয়োগ বিধিমালায় যেখানে নারী কোটা ৬০%, পোষ্য কোটা ২০% এবং পুরুষ কোটা ২০% ছিল, সেখানে নতুন বিধিমালায় তা বাতিল করে যোগ্যতা ও মেধাকেই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।
দেশজুড়ে ২,৫৮৩টি ক্লাস্টারের জন্য সমানসংখ্যক করে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে—মোট ৫,১৬৬ জন। প্রতিটি ক্লাস্টারে একজন করে শিক্ষক থাকবেন, যারা ওই অঞ্চলের অন্তর্গত বিদ্যালয়গুলোতে দায়িত্ব পালন করবেন।
Leave a Reply