1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

অবশেষে যেদিন পেতে পারেন মার্চের বেতন ও বৈশাখী ভাতা।

  • Update Time : সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২০২৭ Time View
মার্চের বেতন ও বৈশাখী ভাতা

পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে সাথে দেশও স্বঘোষিত এগিয়ে যাচ্ছে সে দাবী সর্বদাই করে থাকে আমাদের দেশের সরকার ব্যবস্থা। পূর্বের সরকারও করেছে বর্তমান সরকারও করছে। পূর্বের সরকারতো এদেশকে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া বানিয়ে ফেলেছিল। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে তার কারণ হিসাবে আমরা সর্বদা যে বিষয়টা উল্লেখ করি তা হল সর্বক্ষেত্রে প্রযুক্তির ছোয়া, সকল ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার। হ্যাঁ সকল ক্ষেত্রে নিত্য নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে এটা সত্য। এটা অস্বীকার করার মত অবস্থা নেই কারও। তবে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার কি আমারা সকল ক্ষেত্রে নিশ্চিত করতে পেরেছি? কারণ প্রযুক্তির ব্যবহার তো মানুষের হাতে সেই মানুষ যদি মনে প্রাণে না বদলায় তাহলে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ সুবিধা কি নিশ্চিত করা কোন ভাবে সম্ভব হবে।

এখানে ক্লিক করুন

এপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদানের হযবরল অবস্থা দূরীকরণের জন্য বর্তমান সরকার ঘোষণা দেয় যে, আগামী জানুয়ারী থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ইএফটির মাধ্যমে প্রেরণ করা হবে। যদিও এ ধরনের উদ্যোগ পূর্বের পলাতক সরকারও নিয়েছিল তবে তা এদেশের আমলাদের অসহযোগিতা ও ক্রমাগত চাপের কারণে পিছে হটতে বাধ্য হয়। কারণ এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদানের ক্ষেত্রে রয়েছে বড় ধরনের সুদের ব্যবস্যা আছে বলে শোনা যায়। আর এ কারণেই প্রতিমাসেই ইচ্ছাকৃতভাবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন প্রদানের ক্ষেত্রে নানা ধরনের গড়িমসি করা হয়। যা বর্তমানে ইএফটি চালু হওয়ার পরও যথারীতি বিদ্যমান রয়েছে। এখন নানা অজুহাতে মাউশি মাস শেষে হওয়ার পরও বেতন, উৎসব শেষ হওয়ার পরও উৎসব ভাতা প্রদানে বিলম্ব করছে।

আরও পড়ুন……উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপন কোন দিন?

সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মার্চ মাসের বেতন ও বৈশাখী ভাতা পেয়েছে মার্চ মাস শেষ হওয়ার পূর্বেই। আর সেই একই দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা মার্চ মাস শেষ হওয়ার পর এপ্রিল মাসের অর্ধেক পার হওয়ার পরও মার্চ মাসের ও বৈশাখী ভাতা এখনও বুঝে পায়নি। কারণ হিসাবে প্রতি মাসেই মাউশির ইএমআইএস সেল জানায় আমরা চেষ্টা করছি কিছু জটিলতা রয়েছে তা শেষ হলেই শিক্ষকদের বেতনের চাহিদা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। প্রত্যেক মাসেই একই নাটকের পুরাতন দৃশ্যের হুবুহু প্রচার করা হয়। সেখানে নাটকের কোন অভিনেতারই আজ অবধি কোন পরিবর্তন হয়নি। মাউশি কেন যে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা দায়িত্ব পালনে অযথা ঢিলেমি করে তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করে না তা নিয়ে কিন্তু সবার মনেই সন্দেহ দানা বাঁধে। প্রতি মাসে তো আর নতুন করে সকল শিক্ষক কর্মচারীর নামের তালিকা করা লাগে না। কারণ যাদের অবসরের সময় হয় তাদের অটোমেটিক ভাবে সফটওয়্যার তো বাদ দিয়ে দেয় সেখানে যা করা লাগে শুধু নতুন যে সকল শিক্ষক কর্মচারী এমপিওভুক্ত হয় তাদের নাম যুক্ত করতে হয়। এটা করতে তো আর প্রতিমাসে এত জটিলতা হওয়ার কথা নয়।

জানিনা এ সমস্যা শেষ কোথায় কোন দিন এই একই অজুহাত শোনার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। তবে শেষ হওয়া কিন্তু জরুরী।

এই সমস্যা দূরীকরণের জন্য গত ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ইএফটিতে বেসরকারি শিক্ষকদের এমপিওর বেতন-ভাতা দেওয়ার ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের ২০৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীর অক্টোবর মাসের এমপিও ইএফটিতে ছাড় হয়। পরবর্তী সময়ে গত ১ জানুয়ারি ১ লাখ ৮৯ হাজার শিক্ষক ইএফটির মাধ্যমে বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা পেয়েছেন। এভাবে দ্বিতীয় ধাপে ৬৭ হাজার, তৃতীয় ধাপে ৮৪ হাজার, চতুর্থ ধাপে ৮ হাজার ২০০ এবং ৫ম ধাপে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে দুই মাসের বেতন ও ঈদ উৎসব ভাতা দেওয়া হয়েছে। তবে এই শিক্ষক-কর্মচারীরা এখনো মার্চ মাসের বেতন ও বৈশাখী ভাতা পাননি। যা নিয়ে মাউশি সারক্ষণ বলছে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এখন দেখা যাক সেই চেষ্টার ফল কতদিনে পাওয়া যায়।

মাউশির দেওয়া তথ্যমতে জানা গেছে, ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৯১ জন শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে কলেজের ৮৬ হাজার ৭৭৯ জন এবং স্কুলের রয়েছেন ২ লাখ ৮৯ হাজার ৩১২ জন।বৈশাখী ভাতার ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৫১৪ জনের মধ্যে স্কুলের রয়েছে ২ লাখ ৮৮ হাজার ৮৯৩ ও কলেজের ৮৬ হাজার ৬২১ জন শিক্ষক-কর্মচারী।

গত রবিবার যেহেতু মন্ত্রণালয় অনুমোদন হয়ে গেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতন ও বৈশাখী ভাতার। এখন অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে আর খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়। সেই হিসেব মতে আগামী মঙ্গলবারে না হলেও বুধবার নাগাদ শিক্ষক কর্মচারীগণ মার্চ মাসের বেতন ও বৈশাখী ভাতার মেসেজ তার নিজ ব্যাংক একাউন্টে ট্রান্সফারের মেসেজ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

One response to “অবশেষে যেদিন পেতে পারেন মার্চের বেতন ও বৈশাখী ভাতা।”

  1. মো:জয়নাল আবেদীন says:

    🥰🥰

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme