এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদানের বৈষম্য দুরীকরণের জন্য সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন যে, ইএফটির মাধ্যমে বেতন প্রদানের কিন্তু দুংখের বিষয় হলো যে, সেই ইএফটি এখন এমন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে যে, ছেড়ে দে কেঁদে বাঁচি অবস্থা। যদিও বার বার মাউশি থেকে বলা হচ্ছে যে, আগামীতে এত প্রতিবন্ধকা থাকবে না। কিন্তু সেই দিন যে কোনদিন আসবে সেটা এখন অনেক টাকার প্রশ্ন।
তবে সবচেয়ে বড় ব্যাপার যে, আমি যে কথা অতীতেও বলেছি এখন আবার বলছি যা তা হল এই যে, আমাদের ইএফটি আসলে ইএফটি নয় এটা কনভার্টেড ইএফটি। অন্যান্য প্রতিষ্ঠনের ইএফটি যেভাবে পরিচালিত হয় আমাদের ইএফটি সেভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারীদের ইএফটির নিয়ন্ত্রণ অনেকটা তাদের নিজের হাতে থাকে। আর আমাদের ইএফটির নিয়ন্ত্রণ কি আমাদের হাতে রয়েছে নাইতো। আমাদের ইএফটির নিয়ন্ত্রণ মাউশির হাতে আরও নির্দিষ্ট করে বললে ইএমআইএস সেলের হাতে। যাই হোক এই বিষয় নিয়ে আজ কথা বলার জন্য লেখা শুরু করিনি। আজ যে বিষয় নিয়ে লেখা শুরু করেছি সে দিকে আসি এখন।
আরও পড়ুন……আমাদের কর্মফল আমরা ভোগ করছি।
আমার আজকের লেখার বিষয় যা তা ক্যাপশন দেখে নিশ্চয়ই অনেকটা বুঝে নিয়েছেন। তো এখন সে বিষয়ে আসা যাক, একটা বিষয় ভাল করে ভাবেন এবং তারপর বলেন এখন পর্যন্ত সরকারী ছুটি শেষ হযনি অতএব মাউশি বা ইএমআইএস সেলের কোন কর্মকর্তা কর্মচারী অফিসে আসা শুরুও করেনি। তারা যদি অফিস করা শুরুই না করে তাহলে মার্চ এর বেতন ও বৈশাখী ভাতা প্রদানের কার্যক্রম শুরু কি করে হল বা তারিখই বা কি করে জানা গেল। অফিস চালু থাকা অবস্থায়ই সঠিক ভাবে বেতন ভাতা প্রদানের তারিখে নির্দিষ্ট করে বরতে পারে না মাউশি একাধিকবার তারিখে নির্দিষ্ট করেও সেই মতে বেতন ভাতা প্রদান করতে পারে না। তাহলে বর্তমান অবস্থার কথা আর বলার অবকাশ রাখে কি?
রবিবার সকল সরকারী অফিস খুলবে তারপর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারীরা কাজে যোগদান করার পর কাজ কর্ম শুরু করার দুই একদিন না যাওয়া পর্যন্ত কোন কিছুই বোঝার অবকাশ থাকে না।
বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াতে যে ধরনের খবর ভেসে বেড়াচ্ছে এর কোন প্রকারের কোন ভিত্তি আচ্ছে বলে আপনার নিজের কাছেই মনে হবে না যদি বিষয়টি আপনি ভালভাবে মাথা খাটিয়ে ভাবেন।
সর্বশেষ যা বলব তাহল অযথা গুজবে কান দিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কোন কারণ নেই। গুজবের সাথে তাল মিলিয়ে আজগুবি আশায় আশান্বিত হওয়ার কোন মানেই হয় না।
Leave a Reply