1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

১,২,৩,৪,৫ না করে এক বারে শুধু ১ করা যেত না?

  • Update Time : শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৩৩২ Time View

এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ইএফটিতে প্রেরণের জন্য গত ৫ অক্টোবর সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন । সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ধারবাহিকতায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও এর অর্থ ০১ জানুয়ারি ২০২৫ হতে EFT-তে প্রেরণ শুরু হয়েছে। যে সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও এর তথ্য, NID এর তথ্য এবং ব্যাংকের তথ্য সঠিক আছে এমন ১,৮৯,৯০৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীর ডিসেম্বর-২০২৪ মাসের এমপিও এর অর্থ ইতোমধ্যে ১ম লটে EFT-তে প্রেরণ করা হয়েছে।

এছাড়াও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে অনেকের এমপিওশীটের নামের সাথে NID এর নামের ডট (.), হাইফেন (-), কমা (,) বা আক্ষরিক অমিল আছে অথবা ব্যাংক হিসাবের নাম আংশিক ভুল আছে, কিন্তু জন্মতারিখ অভিন্ন এমন ১,৫২,২২০ জন শিক্ষক- কর্মচারীর ডিসেম্বর-২০২৪ মাসের এমপিও এর অর্থ ইতোমধ্যে ২য় ও ৩য় লটে EFT-তে প্রেরণ করা হয়েছে। এমপিওশীটের নাম এবং NID এর নাম অভিন্ন কিন্তু জন্মতারিখ একই বছরে তবে অভিন্ন নয় এমন ৮,২৩৮ জন শিক্ষক-কর্মচারীর ডিসেম্বর-২০২৪ মাসের এমপিও এর অর্থ প্রেরণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন এবং ৮,৮৮৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য যাচাই এর জন্য আইবাস++ এ প্রেরণ করা হয়েছে। যারা কিনা ৫ম ধাপে তাদের বেতনের টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করতে।

কিন্তু এভাবে না ভেবে কি এভাবে ভাবলে কি খুব একটা খারাপ হতো যদি ১লা জানুয়ারী ১,৮৯,৯০৭ জন শিক্ষক কর্মচারী ১ম ধাপে বেতন না পেয়ে ১লা মার্চ একসাথে ৩ লাখ ৬০ হাজার শিক্ষক কর্মচারী একসাথে ফেব্রুয়ারীর বেতন পেত তাহলে কি খুব খারাপ হতো। নাকি সেটাই ভাল হতো আপনার কি মত? দয়া করে জানাবেন।

আসলে মাউশি যে, আমাদের ভাল কতটা চায় তা অতীতের বিভিন্ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে আমাদের জানান দিয়েছেন। আর যতটুকু বাঁকি ছিল তা এবার ইএফটির কার্যক্রম দিয়ে তা একবারে পানির মত পরিস্কার করেছেন। মুল কথা হলো মাউশি তার কর্তৃত্ববাদী ভুমিকা থেকে সরে আসতে চাইছে না। মাউশি যদি সাহায্য পরান হতো তাহলে একেক সময় সময় একেক ধরনের কথা বলত না। সাধারণ বিষয়গুলোকে জটিল করে তুলত না।

মাউশি সকল সময় আমাদের সাথে কর্তৃত্ববাদী আচরণ করার চেষ্টায় থাকে যা কখনই ভাল উদাহারণ হতে পারেনা। কর্তৃতবাদী আচরণ বা অবাধ ক্ষমতার ব্যবহারের মাধ্যমে কখনওই দীর্ঘমেয়াদি বা কার্যকরী সমাধান আসবে না। এটি শুধুমাত্র ক্ষণস্থায়ী সমাধান অথবা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। কর্মীদের কাছে বিশ্বাস এবং সম্মান অর্জন করতে হলে, কোনো নেতৃত্বকে অবশ্যই খোলামেলা, গ্রহণযোগ্য এবং সুবিবেচক হতে হবে।

কর্তৃত্ববাদী আচরণের বিপদ:

  1. মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন:
    কর্তৃত্ববাদী আচরণের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক অধিকার এবং স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হতে পারে। যখন জনগণের মতামতকে অবজ্ঞা করা হয় এবং শুধুমাত্র একাধিক ব্যক্তির ইচ্ছার ওপর সব কিছু নির্ভর করে, তখন সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হয়।
  2. মানুষের প্রতি অবজ্ঞা:
    কর্তৃত্ববাদী শাসক বা নেতারা সাধারণত তাদের অধীনে থাকা মানুষদের যন্ত্রণা বা অবমূল্যায়ন করে। এটা সমাজের মাঝে অসন্তোষ সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘমেয়াদী সমাধান সৃষ্টি করার পরিবর্তে বিভেদ এবং দুশমনির জন্ম দেয়।
  3. নেতৃত্বের বিশ্বাস হারানো:
    যেকোনো নেতাই যখন গণতান্ত্রিক শাসন বা মত প্রকাশের স্বাধীনতা অগ্রাহ্য করে, তখন জনগণের প্রতি তার বিশ্বাস হারিয়ে যায়। কর্তৃত্ববাদী আচরণ বিশ্বাসযোগ্যতা এবং স্বচ্ছতা ধ্বংস করে, যার ফলে জনগণের সহানুভূতি এবং সমর্থন মেলানো কঠিন হয়ে পড়ে। মাউশি দিন দিন এমপিও শিক্ষকদের নিকট থেকে বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে আর এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে ভয়াবহ সংকট আসন্ন। যা আমাদের কাম্য নেয়।

পরিশেষে বলব যা হবার অনেক হয়েছে এখনো সময় আছে আস্থা ও ভালবাসার জায়গায় সৃস্টি করার। আমাদের যেমন মাউশির ভাল আচরণ প্রয়োজন তেমনি মাউশির প্রয়োজন তার প্রতি আমাদের আস্থার। যে কাজ স্বাভাবিক নিয়মে খুব সহজেই করা যেত সেই কাজ জটিলতা সৃস্টি করার প্রয়োজন কি ছিল?

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme