বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাই ২০২৬ মাসের এমপিও আবেদন অনুমোদনের ক্ষেত্রে সাময়িক বিলম্ব হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এমপিওভুক্ত জনবলের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট সংযোজনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কার্যক্রম
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে গত ১ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে। তবে নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট এখনো প্রকাশিত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, পে-স্কেল বাস্তবায়নের
সার্টিফিকেটে নাম ও জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী ও আবেদনকারীদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি এবং দীর্ঘসূত্রতা বন্ধে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বহীনতার কারণে আবেদনকারীরা
সরকার নতুন পে-স্কেল বা নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও এখনো গেজেট প্রকাশ, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক আদেশ জারি এবং সফটওয়্যারভিত্তিক বেতন নির্ধারণ ও হিসাব সমন্বয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন পে স্কেল বা নবম জাতীয় বেতনকাঠামো চলতি জুলাই মাসেই বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে সরকার। সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বিদ্যমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, রাজস্ব সক্ষমতা
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত আরও ১ হাজার ৩১১ জন শিক্ষক ও কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এমপিও কমিটি। এমপিওভুক্তির ফলে এসব
প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই)