নির্বাচনের আগে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ দাবিতে একাধিকবার আল্টিমেটাম দেওয়া হলেও সরকার কিংবা পে কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান সাড়া মেলেনি। এরই
বেসরকারী এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬৭ হাজার ২০৮টি শূন্য পদের বিপরীতে শিক্ষক নিয়োগের আবেদন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে শূন্য পদের তথ্য হালনাগাদ করা হয়েছে। এই তথ্য সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। শনিবার (১০
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে নতুন কোনো জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণার সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে কোনো
নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে শেষ সভা আয়োজন করতে যাচ্ছে জাতীয় বেতন কমিশন। প্রাথমিকভাবে আগামী ২১ জানুয়ারি এই চূড়ান্ত সভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে,
নবম জাতীয় পে-স্কেলে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৮ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত পে-স্কেল সংক্রান্ত পূর্ণ কমিশনের সভায় এ অনুপাত চূড়ান্ত করা হয়।
নবম জাতীয় পে-স্কেলের সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছে পে-কমিশন। এই তিন প্রস্তাবের যে কোনো একটি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে। তবে তা এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান, সহকারী প্রধান, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ নিয়োগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা শেষ হয়েছে। কর্মশালায় এমসিকিউ পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সাথে মৌখিক পরীক্ষা ও সনদের নম্বর কমানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার