নবম পে-স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে দায়িত্ব পালনকারী সচিবদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেছে জাতীয় পে-কমিশন। এসব বৈঠকে অধিকাংশ সচিবের অভিমত ছিল—বেতন কাঠামো নিয়ে আকাশচুম্বী বা অযৌক্তিক
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তাদের তিন দফা দাবিদাওয়া আদায়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। সেই আন্দোলনের অংশ হিসেবে তারা বর্তমানে লাগাতার কর্মবিরতি পালন করছেন এবং আজ থেকে শুরু
নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুপারিশ চূড়ান্ত করতে পে-কমিশন বর্তমানে দ্রুতগতিতে কাজ করছে। সুপারিশ প্রণয়নের অংশ হিসেবে সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়েছে। চারটি ধাপে
সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা পুনর্নির্ধারণ ও বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় বেতন কমিশন ধারাবাহিকভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য কমিশন
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার জানিয়েছেন যে দেশের শিক্ষকতার পেশাগত উন্নয়ন, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সংকট নিরসনে সরকার নতুন ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল ২০২৫–কে ঘিরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এখন তীব্র আগ্রহ ও আলোচনা চলছে। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির চাপ, এই পে স্কেলকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর সরকারি