উৎসব এমন একটা বিষয় যা নিয়ে কৌতুহল, আগ্রহ, উদ্দীপনা বিরাজ করে না পৃথীবিতে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বিরল। প্রত্যেক জাতির, প্রত্যেক ধর্মের মানুষের নিজ নিজ সাংস্কৃতিক বলয়ের মাঝে গড়ে তোলে
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক-কর্মচারীদের ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বা ইএফটির মাধ্যমে ডিসেম্বর মাসের বেতন-ভাতা ৪ ধাপে প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক কর্মচারীদের দিয়েছে সরকার। বেতন পাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রথম থেকে পঞ্চম ধাপের বেতন একসঙ্গে দেবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। চলতি সপ্তাহে এ পাঁচ ধাপের বেতন হতে পারে বলে জানা গেছে। ২২ মার্চের
এবার আবার এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ও বোনাস নিয়ে নতুন খবর প্রকাশ করল মাউশি যে, বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা আলাদা আলাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত
আমার এই শিরোনাম আমি কাউকে ছোট করার উদ্দেশ্যে নয় বরং তারা যে সত্যি সত্যি বৈষম্যের শিকার তা পরিস্কার করার জন্য দেওয়া। একটু খেয়াল করে দেখেন প্রতি বৎসরই যখন ঈদ আসে
গত বছর ৫ অক্টোবর জাতীয় শিক্ষক দিবসে বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের বিদায়ী শিক্ষা উপদেষ্টা ঘোষণা দেন যে, আগামী জানুয়ারী মাস হতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা ইএফটির মাধ্যমে হবে। বিদায়ী উপদেষ্টার
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ব্যবস্থায় চরম অস্থিরতা এবারো কাটলনা।কারো বোনাস ৪ আনা,কারো ৮ আনা আবার কারো ১৬ আনা আসন্ন ঈদ উল ফিতরেও বলবৎ থাকবে।অথচ গত ফেব্রুয়ারি মাসের দশ তারিখে সদ্য