‘স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ উৎসব ভাতা এবং বেতনের সব কাজ শেষ করা হয়েছে। বাকি কাজ ব্যাংকের। ব্যাংকের বিষয়টি আমাদের হাতে নেই। আশা করছি বৃহস্পতিবারের মধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতার অর্থ তুলতে
সরিষার ভিতরেই কি ভুত লুকিয়ে আছে? ভাল করে গভীর ভাবে বিষয়টা নিয়ে একটু ভেবে দেখেন তো? এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন নিয়ে প্রহসন, বেতন নিয়ে কালক্ষেপণ ও বিভিন্ন অজুহাত দূরীকরণের জন্য
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন বোনাসের দিনক্ষণ ও তারিখ নিয়ে প্রতিনিয়ত, প্রতিদিন ও প্রতিঘন্টায় নতুন নতুন ডাইমেনশন তৈরি হয়। বাংলাদেশে অবশ্যই পৃথিবীতে আর অন্য কোন দেশের অন্য কোন পেশাজীবিদের সাথে এধরনের
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বৈষম্য নিরসনের বার্তা নিয়ে হাজির হয় ইএফটি। কিন্তু এর ফলে যে, এই পরিমাণ মুল্য পরিশোধ করতে হবে তা কি আমরা জানতাম। আমরা কি তখন জানতাম যে, ৩
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদানের জটিলতা কমানোর বা নিরসনের জন্য বর্তমান সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করে যে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ইএফটির মাধ্যমে প্রেরণের। সেই লক্ষ্যে শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যাচাই বাছাই
বাংলায় একটা বহুল প্রচলিত প্রবাদ আছে “অভাগা যেদিকে চায়, সাগর শুকিয়ে যায়”। এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেলায় অনেকটা সেরকমই ঘটেছে। সকলেই অনেক আশায় বুক বেঁধেছিল যে, ইএফটির ফলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের
শিরোনাম দেখে কেউ স্বস্তি, কারও হাসি, কেউবা বিব্রতবোধ এককথায় একই পেশায় কর্মরত থাকার পরও একেকজনের একেকরকম অনুভুতি হচ্ছে। পৃথীবিতে মনে হয়ে একমাত্র এ-ই পেশাতেই পাওনা কোন কিছু পেতে নানা ধরনের