এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কোন চাওয়া পাওয়া আজ অবধি সঠিক সময়ে, সঠিক পরিমাণে হয় এবারেও হবে বলে মনে হয় না। একথা এজন্য বললাম যে, এখন অবধি যতটুকু জানা গেছে তাতে করে যে
কি বলব বলার কিছু নাই আমার এই লেখায় হয়তবা অনেকের মন কষ্টের কারণ হতে পারে তবে সেটা তাদের বিষয় সেই বিষয়ে আমার কিছু করার নাই। আমার নিকট বিষয়গুলো দৃষ্টিকুটু লেগেছে
সরকার যে বিনামুল্যে টিসিবির পণ্য প্রদান করে সেখানেও মনে হয় এতে বেশি জটিলতা হয় না, যা কিনা হয় প্রতিমাসে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতনের বেলায়। সমস্যা হতে পারে কোন একবার, কোন
পৃথিবীটা বদলে যাচ্ছে, বা বদলে গেছে যা খুব ভাল লাগে শুনতে। কিন্তু পৃথিবীর সাথে আপনাকেও যে বদলাতে হয়, আপনার সিষ্টেমকেও যে সে বদলের সাথে পরিবর্তন করতে হয় সেটা আমরা কতটুকু
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদানের সমস্যা দূরীকরণের জন্য গত ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ইএফটিতে বেসরকারি শিক্ষকদের এমপিওর বেতন-ভাতা দেওয়ার ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের ২০৯ জন
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের পেশাগত জীবনের বৈষম্য এক কথায় বা একবারে লিখে শেষ করা সম্ভব নয়। বৈষম্যে ভরা যে পেশা সেই পেশার কোন একক বৈষম্য নিয়ে কথা বললে তো সকল কিছু
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদানের জটিলতা নিরসনের লক্ষে গত ৫ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখ জাতীয় শিক্ষক দিবসে বর্তমান সরকারের বিদায়ী শিক্ষা উপদেষ্টা ঘোষণা করেন যে, আগামী জানুয়ারী মাস থেকে এমপিওভুক্ত