পৃথিবীর সবকিছু সঠিকভাবে বহমান হলেও বাংলাদেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জীবনযাত্রা হয়তবা এদেশে কোনদিনই সঠিক প্রবাহে প্রবাহিত হবে না। এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের এদেশে কেন জানি কোন অদৃশ্য শক্তি বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় সকল সময়ে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের সকল কাজ সেই শক্তির প্রভাবে সকল সময় বাধাগ্রস্থ হতেই আছে যার কোন সমাধান হয় না। যখন এ বিষয় নিয়ে কথাবার্তা লেখালেখি হয় মিডিয়াতে প্রচার হয় তখন যথাযথ কর্তৃপক্ষ তখন নাক কান গলা ছুয়ে বলে আগামী থেকে আর এধরনের কোন গাফিলতি হবে না। অথবা আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করছি আসলে কাজের অনেক চাপতো আর বিষয়টিও নতুন তাই একটি জটিলতা কারণে সময় লাগছে। আগামীতে এ ধরনের সমস্যা থাকবে না বা আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে সকল জটিলতা নিরসন হয়ে যাবে। আপনারা তখন প্রতিমাসের একটি নিদিষ্ট তারিখে আপনাদের সেই নির্ধারিত কাজ করতে পারবেন।
আমি এখন যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলছি এখন আসি সেই বিষয়ে। আমাদের তথা এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ইএফটিতে প্রতি মাসের বিল সাবমিট হওয়ার কথা ছিল মাসের ২৩ তারিখের মধ্যে কিন্তু আজ ২২ তারিখ হয়ে গেলেও এখন অবধি মাউশির ইএমআইএস সেল অক্টোবর ২০২৫ইং সালের ইএফটির বিল সাবমিট অপশন চালু করে নি। তাহলে বিষয়টি একটু ভাবেন আমি কেন বলেছে যে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের কোন কাজ সঠিক ধারায় প্রবাহিত হয় না।
আমি ব্যাক্তিগত ভাবে আজ ২২/১০/২৫ দুপুর ১২.৫৭ মিনিটে ইএমআইএস সেলের প্রোগ্রামার হুমায়ন কবির সাহেবের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান আগামী ২৫ থেকে ২৬ তারিখ অক্টোবর ২০২৫ এ এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ইএফটির ড্যাশবোর্ডে বিল সাবমিট করা যাবে।
আগামী ২৫ ও ২৬ তারিখ সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ তাদের অক্টোবর ২০২৫ ইং মাসের বিল সাবমিট করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করুন।
গত সেপ্টেম্বর মাসে মোট ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫২ জন শিক্ষক-কর্মচারী ইএফটিতে বেতন পেয়েছেন। এর মধ্যে-
অথ্যাৎ গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রায় ৩ লক্ষ ৭৫হাজার এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ ইএফটিতে বেতন পেয়েছেন। এর আগে গত ২৪ সালের অক্টোবর মাসে বিদায়ী শিক্ষা উপদেষ্টা এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদানের জটিলতা নিরসনে ২৪ইং সালের ডিসেম্বর মাস হতে ইএফটির মাধ্যমে বেতন বিল প্রদান করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। শুরু হতে নানান জটিলতা দুর করে আজ মোটামুটি একটি পর্যায়ে এসে পৌছেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ইএফটির মাধ্যমে বেতন প্রদানের প্রক্রিয়াটি যদিও এখন শতভাগ শিক্ষক ইএফটির আওতায় আসতে পারেনি নানাবিধ জটিলতার কারণে।
পরিশেষ যে কথাটি বলব তা হলো মাননীয় কর্তৃপক্ষ আপনারা যদি সকল ক্ষেত্রে আমাদের তথা এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বিষয়ে এ ধরনের বৈষম্যমুলক আচরণ অব্যহত রাখেন তা কিন্তু আমাদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি করে। আশা রাখি আগামীতে এধরনের সমস্যা নিরসন হবে এবং আপনারা আপনাদের দেওয়া কথা মতো আমাদের প্রয়োজন বিষয়গুলো যেগুলো আপনাদের করণীয় সেগুলো সমাধান করার চেষ্টা করবেন।
Leave a Reply