গত জুলাই ২০২৫-এ ইন্টারিম সরকার একটি নতুন জাতীয় পে কমিশন গঠন করেছে, যার উদ্দেশ্য হলো প্রায় এক দশক পর সরকারি ও এমপিওভুক্ত সহ সকল পাবলিক-সেক্টর কর্মচারীর বেতন কাঠামো পুনর্বিচার করা। কমিশন ৬ মাসের মধ্যে তার প্রতিবেদন জমা দিতে বাধ্য থাকবে।
এই কমিশনের চেয়ারম্যান দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক জাকির আহমেদ খান, প্রাক্তন ফাইন্যান্স সচিব এবং PKSF-এর চেয়ারম্যান
কমিশন বিস্তারিতভাবে মূল্যায়ন করবে:
বর্তমানে যে কমিশন কাজ করছে তাদের কাছে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিশেষ আবদার ছিল যে, স্কেলের ধাপ কমানো। তবে বিশেষ সুত্রে খবর এবারে বেতন কমিশন স্কেলের ধাপ কমাচ্ছে না। অর্থাৎ স্কেলের গ্রেড সংখ্যা পূর্বে যে ২০টি ছিল সেটিই বহাল থাকছে।
এছাড়া ইতিমধ্যে বিমানবাহিনীর একটি প্রস্তাবনা এসেছে তাদের বাহিনীর সদস্যদের জন্য তাদের বাহিনীর সদস্যদের বেতন কাঠামো কিরূপ চায় তারা। তার একটি প্রস্তাবনা পে কমিশনের নিকট এসেছে যা নিম্নের মত-

পে কমিশন এখন তাদের প্রস্তাবনার বিষয়টি অবশ্যই মাথায় রেখেই কাজ করবে। সেখানে তাদের চুড়ান্তকৃত বিষয়টিই যে পে কমিশন চূড়ান্ত করবে বিষয়টি এমন নয় সেখানে তাদের প্রস্তাবনার বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনাতে আসবে।
এরপর যে বিষয়টি নতুন পে স্কেল সংক্রান্ত জানা গিয়েছে তা হলো নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে বর্তমান সরকার বাজেট রিভাইজের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কারণ বাজেট রিভাইজ না করেতো নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।
পরিশেষে যে কথাটি বলতে চাই তা হল, বেতন কমিশনের সমীপে মহোদয় আপনারা সকল বিষয় বিবেচনা করেই অতঃপর আপনাদের সুচিন্তিত মতামত প্রকাশ করবেন। মনে রাখবেন আপানাদের মতামতের ভিত্তিতেই লক্ষ্য লক্ষ্য পরিবারের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। আপনারা অবশ্যই অনেকের মতামত গ্রহণ করবেন এটাই স্বাভাবিক যেখানে সরকারের উচ্চ মহল থেকে শুরু করে একেবারে নিম্নস্তর পর্যন্ত। তবে আশা রাখব কারও দ্বারা প্রভাবিত হবেন না।
Leave a Reply