বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় পৌনে চার লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর জুলাই মাসের বেতনের সারসংক্ষেপ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) পাঠানো হয়েছে। এই সারসংক্ষেপ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য আগামী সপ্তাহে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বাজেট শাখায় পাঠানো হবে। প্রস্তাবটি অনুমোদনের পর শিক্ষক-কর্মচারীরা নির্ধারিত সময়ে তাদের বেতন প্রাপ্তির নিশ্চয়তা পাবেন।
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই বিকেলে মাউশির এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেল থেকে এই বেতনের সারসংক্ষেপ অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখায় পাঠানো হয়। ইএমআইএস সেলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, জুলাই মাসের জন্য সর্বমোট ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯০৭ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর তথ্য অন্তর্ভুক্ত করে সারসংক্ষেপ প্রেরণ করা হয়েছে। এদের মধ্যে স্কুল পর্যায়ে রয়েছেন ২ লাখ ৯১ হাজার ৫১৮ জন এবং কলেজ পর্যায়ে রয়েছেন ৮৭ হাজার ৩৮৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী।
ইএমআইএস সেলের প্রোগ্রামার-৫ মো. জহির উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, “বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাই মাসের বেতনের হিসাব আমরা মাউশির সাধারণ প্রশাসন শাখায় জমা দিয়েছি। এখন এই সারসংক্ষেপ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেখানে বাজেট অনুমোদন হলে এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হলে, আগস্ট মাসের ৪ তারিখের মধ্যে শিক্ষক ও কর্মচারীরা তাদের নির্ধারিত এমপিওভুক্ত বেতন ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) ব্যবস্থায় পেয়ে যাবেন।”
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, এবারে যথাসময়ে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন নিয়ে কোনো বিড়ম্বনার শিকার হবেন না। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত ছাড় এবং অনুমোদনের উপর নির্ভর করছে নির্ধারিত তারিখে অর্থ বিতরণের বিষয়টি।
উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) ব্যবস্থায় বেতন-ভাতা পেয়ে থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের মাধ্যমে ‘অ্যানালগ’ পদ্ধতিতে অর্থ উত্তোলন করতেন, যা তাদের জন্য ভোগান্তির কারণ ছিল। এখন ধীরে ধীরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও ইএফটি সুবিধার আওতায় আসছেন।
উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) ব্যবস্থায় বেতন-ভাতা পেয়ে থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের মাধ্যমে ‘অ্যানালগ’ পদ্ধতিতে অর্থ উত্তোলন করতেন, যা তাদের জন্য ভোগান্তির কারণ ছিল। এখন ধীরে ধীরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও ইএফটি সুবিধার আওতায় আসছেন।
Leave a Reply