গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের তথ্য চেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় গত ২২ জুন ভোটে অনিয়মের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এ তথ্য চাওয়ায়, ইসি তা সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে।
পিবিআইয়ের অনুরোধে রিটার্নিং কর্মকর্তা, প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং পোলিং অফিসারদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে মাঠপর্যায়ে চিঠি দিয়েছে ইসি। এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নাম, পিতা-মাতার নাম, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, পাসপোর্ট নম্বর, মোবাইল নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রভিত্তিক দায়িত্বের বিবরণ।
এই তথ্য ইসি সচিবালয়ে পাঠাতে রোববার বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) চিঠি দেওয়া হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে দেশের ৬৪ জেলার ডিসি এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনাররা রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) সাধারণত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকলেও চিঠিতে এ পদে দায়িত্ব পালনকারীদের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
এ ছাড়া, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাসহ প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেছেন। এদের সকলের তথ্য সংগ্রহ করে তদন্ত সংস্থার কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
Leave a Reply