1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরাও উৎসকর TDS এর আওতাভুক্ত হতে যাচ্ছে জেনে নিন বিস্তারিত

  • Update Time : রবিবার, ৬ জুলাই, ২০২৫
  • ১০২৫ Time View
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরাও উৎসকর TDS এর আওতাভুক্ত হতে যাচ্ছে জেনে নিন বিস্তারিত

সরকার এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য আয়কর আইন-২০২৩ এর ধারা ৮৬ অনুযায়ী আয়কর কর্তনের কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে। এর আগে বিগত কয়েক বছর ধরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বিশেষ করে যে সকল শিক্ষক গ্রেড ১০ এর আওতাভুক্ত তাদের বাৎসরিক রিটার্ন বাধ্যতামুলক ছিল এবং যে সকল শিক্ষক গ্রেড ৯ থেকে অন্যান্য গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত তারা নূর্নতম কর বাৎসরিক ভাবে প্রদান করে আসছিলেন। তবে নতুন আদেশ অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরাও সরকারী চাকুরীজীবিদের ন্যায় আয় থেকে উৎসে কর (TDS) কর্তন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতিমাসে তাদের বেতন থেকে বাৎসরিক আয় হিসাব করে মাসিক ভাবে আয়কর কর্তন করে নেওয়া হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে বা কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনায় এই আয়কর কর্তন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কর আদায়ে ধারাবাহিকতা প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের করযোগ্য আয়ের হিসাব নির্ধারণ করে নিয়মিতভাবে কর প্রদান নিশ্চিত করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই আয় থেকে উৎসে কর (TDS) কি?

মাসিক বেতন থেকে আয়কর বা TDS (Tax Deducted at Source) কর্তনের পদ্ধতিটি বাংলাদেশে বেশ নির্দিষ্ট কিছু ধাপ অনুসরণ করে। এটি মূলত আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ অনুযায়ী পরিচালিত হয়। নিচে ধাপে ধাপে বর্ণনা করা হলো:

আয় থেকে উৎসে কর (TDS) হলো কর আদায়ের একটি ব্যবস্থা, যেখানে কোনো ব্যক্তির আয় হওয়ার আগেই নির্ধারিত হারে কর কর্তন করে সরকারকে পরিশোধ করা হয়। অর্থাৎ, যিনি আয় প্রদান করছেন (যেমন: বেতন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান), তিনিই কর কর্তন করে সরকারের রাজস্ব বিভাগে জমা দেন।

ধরা যাক, কারও মাসিক মোট বেতন ৫০,০০০ টাকা।

  • বার্ষিক বেতন = ৫০,০০০ × ১২ = ৬০০,০০০ টাকা
  • ছাড়ের পর করযোগ্য আয় ধরুন ৫,০০,০০০ টাকা
  • প্রথম ৩,৫০,০০০ টাকায় কর = ০ টাকা
  • পরবর্তী ১,৫০,০০০ টাকায় ৫% = ৭,৫০০ টাকা

বার্ষিক কর = ৭,৫০০ টাকা ⇒ মাসিক TDS = ৬২৫ টাকা (প্রায়)

উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন শিক্ষক মাসে ৫০,০০০ টাকা বেতন পান এবং তার আয় করযোগ্য হয়, তবে সরকার নির্ধারিত হারে (যেমন ৫%, ১০% ইত্যাদি) তার বেতনের একটি অংশ (যেমন ৬২৫ টাকা) TDS হিসেবে কেটে নিয়ে সরকারের তহবিলে জমা দেবে। এরপর তিনি বাকি অর্থ (যেমন ৪৯৩৭৫ টাকা) হাতে পাবেন।

এখানে হিসাবগুলো আনুমানিক ভাবে করা হয়েছে উদাহারণস্বরুপ কর ছাড়ের কথা বলা আছে আপনার কোন কোন আয় কর ছাড় যোগ্য তা আপনি নিশ্চয়ই এতদিন থেকে কর দিয়ে আসছেন তা আপনি জানেন। ছাড় যোগ্য আয় বাদ দিয়ে আপনার কর নির্ধারিত হবে এবং সেখান থেকে আয়কর কর্তন কর হবে।

মুল কথা হল আমরা এখন যে হারে বা যে ভাবে বাৎসরিক আয়কর প্রদান করি তার বেশি বা কম আয়কর দেওয়া লাগবে বিষয়টি এমন নয়। তবে বিগত বছরগুলোতে আমরা আয়কর দিতাম বাৎসরিক ভাবে এখন দিতে হবে প্রতি মাসে। আপনি বছরে বেতন বাবদ যে আয়কর দিতেন সেই টাকাকেই ১২ দিয়ে ভাগ করে প্রতি মাসের আয়কর নির্ধারণ করা হবে তারপর সেটা আপনার বেতন হতে কর্তনের পর বাকিটা আপনার একাউন্টে প্রেরণ করা হবে। তবে সে ক্ষেত্রে একটা বিষয় উল্লেখ যোগ্য তা হলো আপনার আয় যদি বেতন ছাড়াও অন্যান্য উৎস থেকে হয়ে থাকে সেটা কিন্তু রিটার্নে উল্লেখ পূর্বক হিসাব করে বাকি টাকা পূর্বের ন্যায় পরিশোধ করতে হবে।

এই ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো আয়কর ফাঁকি রোধ করা এবং আয় কর সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে সহজ ও নিয়মিত করা। TDS কাটা করদাতার বার্ষিক আয়কর বিবরণীতে যোগ হয় এবং তিনি চাইলে অতিরিক্ত কাটা কর ফেরত পেতে পারেন। মুলকথা হলো এখানে ভয় বা আতংকিত হওয়ার কিছু নাই যে বিষয়টা উল্লেখযোগ্য তা হলো আগে যা আমরা বাৎসরিক ভাবে প্রদান করতাম এখন তা মাসিক হারে প্রদান করতে হবে। আর অন্যান্য বিষয়গুলো একই থাকবে সেই বাৎসরিক রিটার্ণ দাখিল, বাৎসরিক কর হিসাব সব একই রকম। তাই আতংকের কিছু নাই। আপনার নিকট হতে সরকার অতিরিক্ত কোন অর্থই আদায় করবে না আপনি পূর্বেও যে আয়কর দিতেন এখনও সেই পরিমাণই আয়কর দিতে হবে। একটি টাকাও বেশি লাগবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme