কি বলব বলার কিছু নাই আমার এই লেখায় হয়তবা অনেকের মন কষ্টের কারণ হতে পারে তবে সেটা তাদের বিষয় সেই বিষয়ে আমার কিছু করার নাই। আমার নিকট বিষয়গুলো দৃষ্টিকুটু লেগেছে তাই এ বিষয়ের অবতারণা করলাম এই যা।
আজ সামাজিক গণ মাধ্যমে বেশ কিছু সেলফিবাজি দেখলাম কোন একটা শিক্ষক সংগঠনের নেতাদের। যারা কিনা দাবি করে তারা সেখানে গিয়েছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের অর্থনৈতিক বৈষম্য নিরসনের লক্ষ্যে কুটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি করতে। কিন্তু সামাজিক গণ মাধ্যমে যা বোঝা গেল যে, তাদের মুল উদ্দেশ্যের ব্যাপারে যথেষ্ট প্রশ্ন করাই যায়। কেননা তারা কুটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি চেয়ে বেশি ব্যস্ত ছিল সেলফিবাজি করার জন্য। সেলফিবাজি কথার মনে উঠলে ভেসে উঠে বিগত আমলের ফ্যাসিস্ট সরকারের সেলফিবাজির কথা। বিগত সরকারের উদ্দেশ্য ছিল লোক দেখানো। তাহলে আমাদের সংগঠনের এই নেতাদের উদ্দেশ্য কি?
আরও পড়ুন……উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপন কোন দিন?
আমাদের এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের সংগঠনের সাথে জড়িত তাদের বিষয়ে একটি বিষয়ে পরিস্কার তা হলো সবাই নেতা হতে চায়, সবাই নিজের প্রচার চায় আর সে কারণে প্লাটফর্ম হিসাবে শিক্ষকদের আবেগ ব্যবহার করে।
আমাদের সংগঠনের নেতারা কি জোর গলায় বলতে পারবেন যে, তাদের সাংগাঠনিক তৎপরতার কারণে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের কয়টা দাবি আজ অবধি পুরণ হয়েছে। যে দাবীগুলো পুরণ হয়েছে তার অধিকাংশ গুলো হয়েছে সরকারের কৃপায়। সেখানে আমাদের সংগঠনের তৎপরতা কতটুকু ছিল তা নিয়ে কিন্তু প্রশ্ন করাই যায়।
আমদের এমপিওভুক্ত সংগঠনগুলোর মধ্যে যদি আজ বিভাজন না থাকতো, যদি সবাই এক থাকত তাহলে তাহলে আমরা একমাসের বেতন অন্য মাসে পেতাম না। তাহলে আজ আমাদের বেতন নিয়ে আমলার সুদ বাণিজ্য করার সাহস পেত না। আমাদের সংগঠনের নেতৃবৃন্দ যদি নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করতো তাহলে আজ আমাদের ইএফটি বাস্তবায়ন নিয়ে এমন লুকোচুরি করার সাহস পেতনা মাউশি।
Leave a Reply