বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত পৌনে চার লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর মার্চ মাসের বেতন আগামী সপ্তাহে দেওয়ার জন্য আমরা কাজ করছি। সবকিছু ঠিক থাকলে তারা আগামী সপ্তাহে বেতন পেতে পারেন। মার্চের বেতনের পেমেন্ট তালিকা ইএফটির ড্যাশ বোর্ডে যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু বেতন কবে নাগাদ শিক্ষক কর্মচারীগণ তাদের ব্যাংক হিসাব নম্বরে বুঝে পাবে সে ব্যাপারে কোন নিশ্চয়তা এখনও প্রদান করেনি মাউশির ইএমআইএস সেল।
বুধবার (৯ এপ্রিল) গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে এ কথা জানান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেলের প্রোগ্রামার-৫ মো: জহির উদ্দিন।
আরও পড়ুন……বেতন নিয়ে মাউশির চোর পুলিশ খেলার শেষ কোথায়?
ইএমআইএস সেলের এ কর্মকর্তা জানান, ‘ফেব্রুয়ারি মাসে যতজন শিক্ষক-কর্মচারী ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে বেতন-ভাতা পেয়েছিলেন, সেই সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারীর মার্চ মাসের বেতনের প্রস্তাব আগামীকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর চেষ্টা চলছে। কাল প্রস্তাব পাঠাতে পারলে আগামী সপ্তাহে তারা বেতন পেতে পারেন।’ দেখা যাক চেষ্টার শেষ কোনদিন হয়।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে মাউশির শীর্ষ এক কর্মকর্তা গতকাল মঙ্গলবার জানান, ‘মার্চ মাসে ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৬০২ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে দেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ইনফরমেশন (ইএমআইএস) সেল কাজ করছে। আশা করছি আগামী সপ্তাহে শিক্ষক-কর্মচারীরা মার্চ মাসের বেতন পাবেন।’ সাথে বৈশাখী ভাতা যুক্ত করে একসাথে প্রদান করার চিন্তা করা হচ্ছে।
মার্চের বেতনের পেমেন্ট তালিকা ইএফটির ড্যাশ বোর্ডে যুক্ত করা হয়েছে। বৈশাখী ভাতার পেমেন্ট তালিকা হয়তবা আগামীকাল প্রতিষ্ঠানের ইএফটির প্যানেলে যুক্ত হতে পারে। সেক্ষেত্রে মার্চের বেতন ও বৈশাখী ভাতার টাকা একসাথে যুক্ত করে শিক্ষক কর্মচারীগণ আগামী সপ্তাহে ১লা বৈশাখের পর হয়তবা পাবে যে কোন দিন।
যেখানে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীরা ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের একাংশ অর্থাৎ মাদ্রাসা অধিদপ্তরের আওতাধীন এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ বিগত ঈদুল ফিতরের আগেই তাদের মার্চ মাসের বেতন পেয়েছেন। যদিও তারা এখন বৈশাখী ভাতা পাননি।
মাদ্রাসা অধিদপ্তর যদি বেসরকারি এমপিভূক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক কর্মচারীদের ঈদের আগে মার্চের বেতন ছাড়তে পারে, তবে স্কুল কলেজের ডিজি ও তার কর্মকর্তারা ঘোড়ার ঘাস কাটছে ।