এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ এদেশের জন্য যতটুকু প্রয়োজন মেটায় তা কি অন্য কোন পেশাজীবির চেয়ে কোন অংশে কম, আমরা এদেশকে যতটুকু দেওয়ার চেষ্টা করি বা করে আসছি বিগত দিন গুলো থেকে আর কোন পেশার মানুষ এতটুকু এদেশের জন্য দেয় বা দেওয়ার চেষ্টা করে। আমি দ্ব্যর্থহীন ভাবে বলছি আমাদের মত অর্থাৎ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মত এভাবে দেশের জন্য আর কোন পেশার মানুষ নিজেকে উজার করে দেয় না নিশ্চিত।কিন্তু পাওয়ার প্রশ্ন আসলে আমরা থাকি সকলে পিছনের কাতারে। কিছু দেওয়ার সময় আসলে শুরু হয় নানা মুখী জটিলতা।
বাংলাদেশের সরকারী অন্যান্য পেশায় যারা কর্মরত আছেন এমনকি মাউশিতে যারা কর্মরত আছেন তারা সকলেই মার্চ মাসের বেতন সহ বৈশাখী ভাতা পেয়ে গেছে। আর আমাদের বৈশাখী ভাতার কোন খবর এখন পর্যন্ত নাই, এখন পর্যন্ত এ বিষয় নিয়ে মাউশি তে কোন আলোচনাই নাই। অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যা বলা যায় তা হল আমি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি যে, এ মাসের শেষের দিকে হয়তবা বৈশাখী ভাতা নিয়ে আলোচনা হবে এবং মাউশি বলবে আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষক কর্মচারীদের উৎসব ভাতা প্রদানের। কিন্তু এটা বুঝতে হবে যে, এত সংখ্যক শিক্ষক কর্মচারীদের একসাথে ভাতা প্রদান কোন সহজ কাজ নয় তাই একটু সময় তো লাগবেই। মাউশির ভাষ্যমতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা শিক্ষক কর্মচারীদের একজন একজন করে পকেটে ঢুকিয়ে দেয় মাউশি।
আরও পড়ুন…….উৎসব ভাতা নাকি, অভিশপ্ত ভাতা।
যাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে ও মাউশি বিভিন্ন সুত্র মোতাবেক যতটুকু জানা গেছে তা থেকে এতটুকু নিশ্চিত থাকেন যে, এ মাসের শেষের দিকে অথবা আগামী মাসের প্রথম দিকে বৈশাখী ভাতা পাওয়া যেতে পারে।
Leave a Reply