এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের সারাজীবন নানাবিধ সমস্যার মধ্যে জীবনযাপন করতে হয়। বর্তমানে সেই সমস্যা সাথে নতুন একটি সমস্যা যুক্ত হয়েছে ইএফটির আওতাভুক্ত হওয়া।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বা ইএফটির মাধ্যমে বেতন-ভাতা দিচ্ছে সরকার। তবে অনেকেই এখনো বেতন পান নি। বেতন না পাওয়া প্রার্থীদের দাবি, কোনো ভুল না থাকলেও তারা বেতন পাননি। এ অবস্থায় তাদের করণীয় কী? মাউশি পরিস্কার করে কোন নির্দেশনাও দেয় না।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) বলছে, পাঁচ ধাপে ৩ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীকে বেতনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। ছোট এবং মাঝারি ভুল থাকলেও বেতন ছাড় করা হয়েছে। তবে যাদের বড় ধরনের ভুল রয়েছে, তারা তথ্য সংশোধন না করা পর্যন্ত বেতন-ভাতা পাবেন না। কিন্তু প্রশ্ন হলো সংশোধনের পরিস্কার কোন নীতিমালা নাই।
এ বিষয়ে মাউশির এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেলের সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট খন্দকার আজিজুর রহমান বলেন, ‘তথ্য গত ভুলের বাইরে আরও কিছু ভুল রয়েছে। যেমন ধরুন একই ইনডেক্স নম্বর দুই জনের রয়েছে; আবার অনেকে আগের প্রতিষ্ঠানের ইনডেক্স ডিলেট করেননি। এ ধরনের ব্যক্তিদের বেতন দেওয়া বন্ধ রয়েছে। এছাড়া অনেকের বড় ধরনের (জন্ম তারিখ, নাম) ভুল রয়েছে। আসলে অনেকের অনেক ভুল আছে যা কিন্তু আমরা জানিই না। যদি একই ইনডেক্স নম্বর একাধিক শিক্ষকের থাকে তাহলে তা কিভাবে সেই শিক্ষক জানবে বলেন আর এর জন্য দায়ী আসলে কে ঐ শিক্ষক না মাউশি। ইনডেক্স প্রদান করে কে? এই ভুল সংশোধন না করা পর্যন্ত তারা বেতন পাবেন না। নাকি তাদের বেতন দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, ‘ ৫ম ধাপের বেতন প্রক্রিয়াধীন থাকা অবস্থায় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য ড্যাশবোর্ড উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। তখন তারা লগ-ইন করে কোন সমস্যার কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন পাননি সেটি দেখতে পারবেন। এরপর প্রয়োজনীয় সংশোধন সাপেক্ষে বেতন ছাড় করা হবে। কিন্তু এখনও কিন্তু প্রতিষ্ঠানের ড্যাশবোর্ড উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়নি। তাহলে কিভাবে শিক্ষক কর্মচারীগণ তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধন করবে।
হ্যাঁ ভুল থাকতে পারে বা আছে শিক্ষক কর্মচারীদের অনেকের হয়ত ও অনেক বড় বড় ভুল ও আছে কিন্তু এই ভুল গুলোর জন্য আসলে দায়ী কে? ভুল তথ্য গুলো মাউশির নিকট পৌছালো কি করে? আর ভুল তথ্য নিয়ে মাউশি কেন তাদের এমপিওভুক্ত করল। যদি তথ্য ভুল থাকে তাহলে এমপিওভুক্ত করার সময় তাদেরকে কেন জানানো হয়নি। প্রতিবছর কিন্তু ইএমআইএস তথ্য আপডেটের নামে যে তথ্যগুলো নেওয়া হয় সেই তথ্যগুলো গেল কোথায়? সবই কি লোক দেখানো।
আসলে মুল লক্ষ্য কিন্তু অন্য জায়গা বলে মনে হচ্ছে………..
Leave a Reply